এইমাত্র
  • ‘বাবা’র ব্যবসা করবেন আর বিএনপি করবেন, তা হবে না: সালাম পিন্টু
  • শার্শায় আদালতের আইন অমান্য করে বসতভিটা দখলের অভিযোগ
  • মনপুরায় সংবাদ প্রকাশের জের, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যুবদল নেতার মামলা
  • নতুন পে স্কেলে বেতন অনেক বেশি বাড়বে, তেমনটা নয়: তথ্য উপদেষ্টা
  • শার্শায় দুই দিনে কুকুরের কামড়ে আহত অর্ধশতাধিক
  • বেতনের আগেই নিঃশেষ পকেট, নিম্নবিত্তের ভরসা বাকির কেনাকাটা
  • বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: ভারতের হাইকমিশনার
  • কিশোরগঞ্জে ‘কিডন্যাপ’ হওয়া নববধূর ভিডিও বার্তা: ‘আমি আইছি, এনেই থাকবাম’
  • সালমান এফ রহমানের পক্ষে লড়তে চান ব্রিটিশ আইনজীবী
  • শাহজালালে অরক্ষিত শত কোটি টাকার পণ্য, নির্বিকার কর্তৃপক্ষ!
  • আজ মঙ্গলবার, ১৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    নেপালে বোনকে পিঠে নিয়ে মা-বাবার খোঁজে বালক, মনে করাল নাগাসাকির সেই ছবি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ এএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ এএম

    নেপালে বোনকে পিঠে নিয়ে মা-বাবার খোঁজে বালক, মনে করাল নাগাসাকির সেই ছবি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ এএম
    সংগৃহীত ছবি

    পিঠে ছোট বোনকে বেঁধে কাদামাখা পথে হেঁটে চলছে এক বালক। চোখে-মুখে ক্লান্তি, শরীরজুড়ে কাদা। তবু থামছে না তার পথচলা। খুঁজছে মা-বাবাকে। নেপালের সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে দাবি করা এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। দৃশ্যটি অনেকের মনে করিয়ে দিয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের নাগাসাকিতে ধারণ করা এক ঐতিহাসিক ছবির কথা।

    রবিবার (৩০ আগস্ট) থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা গেছে, এক বালক তার ছোট বোনকে পিঠে বেঁধে নিয়ে হাঁটছে। পিঠে থাকা শিশুটিকে দুধের শিশু বলেই মনে হচ্ছে। সে চিৎকার করে কাঁদছিল। তবে ক্ষুধা, ভয় নাকি অসুস্থতার কারণে সে কাঁদছিল, তা ভিডিওতে স্পষ্ট নয়।

    বালকটির চোখে-মুখে কাদা লেগে আছে। দীর্ঘ সময় হাঁটার কারণে তাকে ক্লান্তও মনে হচ্ছে। এরপরও ছোট ছোট পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে সে। মাঝে মধ্যে চারপাশে তাকাচ্ছে। যেন ভিড়ের মধ্যে কিংবা ধ্বংসস্তূপের পাশে মা-বাবার দেখা মিলবে—এমন আশাতেই পথ চলছে।

    এখন পর্যন্ত ওই দুই শিশুর নাম-পরিচয় জানা যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক ব্যবহারকারী ভিডিওটি প্রকাশ করে দাবি করেছেন, এটি নেপালের হৃদয়বিদারক দৃশ্য। তার পোস্টে বলা হয়, ছোট ছেলেটি বোনকে পিঠে নিয়ে মা-বাবাকে খুঁজছে।

    ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়েছেন। দুই শিশুর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। তারা দ্রুত মা-বাবাকে খুঁজে পাক—এমন প্রার্থনাও করেছেন কেউ কেউ। আবার অনেকেই শিশুটির সাহসের প্রশংসা করেছেন।

    তবে ভিডিওটি নেপালের সাম্প্রতিক বিপর্যয়েরই দৃশ্য কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ভিডিওটির স্থান, সময় ও শিশু দুটির পরিচয়ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবির সত্যতা নিয়ে সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে।

    ভিডিওটির দৃশ্য দেখে অনেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের নাগাসাকিতে তোলা একটি ঐতিহাসিক ছবির কথা স্মরণ করছেন। পারমাণবিক বোমা হামলার প্রায় দুই মাস পর মার্কিন সেনা কর্মকর্তা জো ও’ডনেল একটি ছবি তুলেছিলেন। সেখানে এক খুদে বালককে পিঠে তার মৃত ছোট বোনকে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পরবর্তী সময়ে ছবিটি যুদ্ধের ভয়াবহতার অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠে।

    তবে নেপালের ভিডিওতে দেখা বালকটির পরিস্থিতি ওই ঐতিহাসিক ছবির বালকের সঙ্গে এক নয়। পিঠে ছোট বোনকে নিয়ে এক শিশুর অসহায় পথচলার দৃশ্যই শুধু অনেকের মনে নাগাসাকির সেই ছবির স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে জাপানের অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘গ্রেভ অব দ্য ফায়ারফ্লাইজ’-এর কথাও উল্লেখ করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের দুই ভাইবোন সেতা ও সেতসুকোর জীবন ও সংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্রটি বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। নেপালের ভিডিওতে দেখা দুই শিশুর দৃশ্যের সঙ্গে ওই গল্পের কিছুটা মিল খুঁজে পেয়েছেন অনেকে।

    ভিডিওটির সত্যতা নিশ্চিত না হলেও পিঠে ছোট বোনকে নিয়ে মা-বাবার সন্ধানে ঘুরে বেড়ানো শিশুটির অসহায় মুখ ও ক্লান্ত শরীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে।

    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম

    মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক যুদ্ধ শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আরও বেড়েছে।মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দুই সেশনে ২ ডলারের মতো বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলার ছাড়িয়েছে।বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ১৮ ডলার বা ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৯১ দশমিক ৬৭ ডলারে ওঠে।একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ২৭ ডলার বা ১ দশমিক ৪৮ শতাংশ বেড়ে ৮৭ দশমিক ৩ ডলারে দাঁড়ায়। সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২.৭ শতাংশ বেড়ে ৮৮.৩৭ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল।বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পালটাপালটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে। এতে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পিভিএমের বিশ্লেষক জন ইভান্স জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তাদের সেই আশঙ্কাকেই জোরালো করছে। যারা মনে করছেন এই সংঘাত ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধ’ না হলেও আরও দীর্ঘ সময় চলতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে কাতার ও ওমানের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এখনও সফল হয়নি। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবহন করা হত। বর্তমানে প্রণালিটিতে জাহাজ চলাচলও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।ফলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত আরও বাড়লে তেলের সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় বাজারে তেলের দামের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।এমআর-২

    আকাশসীমা সুরক্ষায় ৩ হাজার ৮০০ স্থানে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন ইরানের

    ইরানের সেনাবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-সমন্বয়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাদেঘিয়ান বলেছেন, দেশজুড়ে ৩ হাজার ৮০০টিরও বেশি স্থানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে খাতাম আল-আনবিয়া এয়ার ডিফেন্স বেস প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় বিমান প্রতিরক্ষা দিবস উপলক্ষে এসব তথ্য জানান তিনি।সাদেঘিয়ান জানান, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রধান চারটি দায়িত্ব হলো আকাশপথে আসা লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করা, নজরদারি চালানো, বাধা প্রদান এবং প্রয়োজনে তা ধ্বংস করা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আকাশ প্রতিরক্ষার মূল কাজ হলো ইরানের আকাশসীমা এবং এর বাইরেও যেকোনো উড়ন্ত বস্তুকে শনাক্ত করা। এরপর সেগুলোর পরিচয় নির্ধারণ করা হয় এবং প্রয়োজন হলে যুদ্ধবিমান বা ক্ষেপণাস্ত্রভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো শত্রুপক্ষের বিমানকে তাদের মিশন সম্পন্ন করতে বাধা দেওয়া এবং প্রয়োজনে তা ধ্বংস করা।   যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির পাশাপাশি শান্তিকালেও আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে সাদেঘিয়ান বলেন, ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশকারী সব যাত্রীবাহী বিমান, বিভিন্ন শহরের মধ্যে চলাচলকারী উড়োজাহাজ এবং উদ্ধার কার্যক্রমসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হেলিকপ্টার ও বিমান আকাশ প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের সমন্বয় ও অনুমতির আওতায় পরিচালিত হয়।তিনি বলেন, মরুভূমি, উপকূল, দ্বীপাঞ্চল এবং পার্বত্য এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন।সাদেঘিয়ান আরও বলেন, উন্নত রাডার নেটওয়ার্ক, ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত নজরদারি ইউনিটগুলো ২৪ ঘণ্টা ইরানের আকাশসীমা ও এর বাইরের আকাশপথ পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে।এমআর-২

    ইসরাইলকে আর একটি পয়সাও নয়: যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর

    ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংস তাণ্ডব এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর আগ্রাসী নীতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স।মঙ্গলবার (০১ সেপ্তেম্বর) ইসরায়েলের কট্টরপন্থী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারকে মার্কিন করদাতাদের পক্ষ থেকে আর কোনো আর্থিক বা সামরিক সহায়তা না দেওয়ার জোর দাবি জানান তিনি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ নিউইয়র্ক টাইমসের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন শেয়ার করে স্যান্ডার্স লিখেন, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর সন্ত্রাসী আগ্রাসন চালানো বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে অবসরপ্রাপ্ত ইসরায়েলি জেনারেলরা কী বলছেন, তা শুনুন।প্রতিবেদনে উদ্ধৃত অবসরপ্রাপ্ত ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন স্যান্ডার্স। যেখানে দেশটির অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এফ্রাইম স্নেহ সরাসরি মন্তব্য করেন, এটি একটি সুস্পষ্ট জাতিগত নিধন। একই প্রতিবেদনে ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল আসাফ আগমন সতর্ক করে বলেন, একটি সমাজ যখন এভাবে আচরণ শুরু করে, তখন সেই সমাজ নিশ্চিতভাবেই ধ্বংসের দিকে ধাবিত হয়।যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলকে নিঃশর্ত আর্থিক ও অস্ত্র সহায়তা প্রদানের দ্বিদলীয় ঐকমত্যের কড়া সমালোচনা করে সিনেটর স্যান্ডার্স দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে পুনর্ব্যক্ত করেন, চরমপন্থী নেতানিয়াহু সরকারের জন্য আর একটি পয়সাও নয়।এমআর-২

    বন্যা নয়, এটি ছিল হিমালয়ের সুনামি: নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    নেপাল ও তিব্বতে আঘাত হানে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা। এই বন্যায় দুই দেশ মিলিয়ে ১ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়া এখনো নিখোঁজ আছেন সাড়ে ৪ হাজার মানুষ। ভয়াবহ ওই বন্যাকে হিমালয়ের সুনামি হিসেবে অভিহিত করেছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল।স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কান্তিপুর টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শিশির বলেন, যখন আমরা প্রথম বন্যার কথা শুনি তখন আমাদের ধারণায় সাধারণ বন্যাই ছিল। আমরা ভেবেছিলাম মৌসুমে নদীর পানি যে বৃদ্ধি পায় সেটি হয়েছে। কিন্তু বন্যাকবলিত নুয়ালকোটে ওইদিন থেকে আমি বুঝতে পারি এটি সাধারণ কোনো বন্যা ছিল না।এই বন্যার ঢেউগুলো ছিল ২০ থেকে ৩০ মিটার উঁচু। আর এটি ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার বেগে ছুটেছিল। এটি ছিল টর্নোডোর মতো বিপর্যয়। অনেকে এটিকে এখন হিমালয়ের সুনামি হিসেবে অভিহিত করছেন। এই বিপর্যয় এত ভয়াবহ ছিল, এটি নেপালের স্মরণকালের বাইরে। অর্থাৎ বর্তমান সময়ের কেউ এমন বিপর্যয় দেখেননি।- যোগ করেন শিশির।নেপালের জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা জানিয়েছে, তাদের দেশে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯৮৭ জনে। অপরদিকে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছিল চীন। এতে দুই দেশ মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩ জনে পৌঁছেছে।৯৮৭টি মরদেহের পাশাপাশি অনেককে জীবিত উদ্ধার করেছে নেপাল। এতে করে দেশটিতে এখন নিখোঁজের সংখ্যা কমে ৩ হাজার ৯১৬ জনে পৌঁছেছে। অপরদিকে তিব্বতে নিখোঁজ আছেন ৫৪৬ জন।ফলে দুই দেশে মোট নিখোঁজ আছেন ৪ হাজার ৪৬২ জন। ভয়াবহ ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সপ্তম দিনের উদ্ধার কাজ চলছে আজ। এখনো যেহেতু সাড়ে চার হাজার মানুষ নিখোঁজ আছেন, তাই নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এদিকে নেপালে নিখোঁজদের মধ্যে ৫৮৩ জন বিদেশি। যারা বিশ্বের ৩০টি দেশ থেকে হিমালয়ের দেশটিতে ঘুরতে এসেছিলেন। অপরদিকে চীনে ২৩ দেশের ২৬১ বিদেশি নিখোঁজ রয়েছেন।নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে গত বুধবার আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। কিন্তু ওই পানির শক্তি এত বেশি ছিল যে বন্যায় নিহত মানুষের মরদেহ ভেসে কয়েকশ মাইল দূরে চলে এসেছে। পর্যাপ্ত ফ্রিজার না থাকায় মরদেহগুলো নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল নেপাল। তাই আপাতত ডিএনএ সংগ্রহ করে সেগুলো গণকবরে সমাহিত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পরিচয় শনাক্ত হলে কবর থেকে তুলে সেগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।এমআর-২

    ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা, ৯ জনের প্রাণহানি

    ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের অঞ্চলে রাশিয়ার বিমান হামলায় ৯ জনের প্রাণহানি গটেছে। এ ঘটনায় আরও ১৪ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবারের (০১ সেপ্টেম্বর) এই হামলা কিয়েভে টানা ষষ্ঠ দিনের রুশ হামলা বলে জানিয়েছে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ। খবর রয়টার্সের। জরুরি সেবা বিভাগ জানিয়েছে, কিয়েভে ৮ জন নিহত এবং ৫ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৩ জন শিশু রয়েছে। এদিকে, হামলার পর রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আগুনও ছড়িয়ে পড়ে।কিয়েভ অঞ্চলের বোরিসপিলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় একটি আবাসিক ভবন ও একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে একজন নিহত এবং নয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে।এদিকে, রাশিয়ার উস্ত-লুগা বন্দরে ড্রোন হামলায় আগুন ধরে যায়। মস্কোতেও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা চালায় রুশ কর্তৃপক্ষ। দেশটির সামারা অঞ্চলেও হামলায় বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় গভর্নর। তবে, রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় দেশই বেসামরিক নাগরিকদের ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।এমআর-২

    যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর ঘোষণা মোদির

    মার্কিন অর্থনৈতিক চাপ ও সামরিক হামলার মধ্যেই ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।সোমবার (৩১ আগস্ট) কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেকিয়ানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ইরানের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব জোরদারে তিনি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং আগামী দিনে দুই দেশের বাণিজ্য আরও প্রসারিত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১ হাজার ৭০৩ কোটি ডলারের বাণিজ্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কমে মাত্র ১৬৩ কোটি ডলারে নেমে আসে। সম্প্রতি মার্কিন প্রশাসন ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ চালু করে নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিসরি বলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে যে বাণিজ্য চলছে তা মূলত বেসরকারি খাতে পরিচালিত এবং এর প্রভাব নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো।চাবাহার বন্দর সম্পর্কে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, কৌশলগত এই সমুদ্রবন্দরের সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে এবং যৌথভাবে টেকসই উপায় খুঁজে বের করতে আলোচনা চলছে।আঞ্চলিক উত্তেজনা ও বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মোদি বলেন, আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। এছাড়া সংঘাতময় পরিস্থিতিতে অন্তত ১৩ জন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ায় বাণিজ্যিক জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ান মার্কিন যুদ্ধনীতির তীব্র সমালোচনা করে বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য কূটনীতিই একমাত্র পথ। আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে পেজেসকিয়ানকে ভারতে আমন্ত্রণ জানান নরেন্দ্র মোদি।এমআর-২
    Loading…