রাজবাড়ীতে ভোক্তা অধিকার অভিযান পরিচালনার সময় নারী ম্যাজিস্ট্রেটের উপরে তাঁতি দলের হামলা। পু*লিশের সামনেই ম্যাজিস্ট্রেট কে কি*ল ঘু*সি ও লা*থি মেরে আহত করেছে তাঁতি দলের নেতাকর্মীরা।কিন্তু পুলিশ কোন প্রটেকশন গ্রহণ করেন নাই।পুলিশের কাজ কি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মাইর খাওয়া দেখা?
একজন আইন কর্মকর্তা কে হামলার হাত থেকে রক্ষা করতে পারলেন না? আপনার হাতের লাঠি এবং অ*স্ত্র সরকার কি খেলা করতে দিয়েছে? নারী ম্যাজিস্ট্রেটকে হামলার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কোন পদক্ষেপ নিলেন না কেন? নাকি সরকারি দলের ভাই আছেন? চাকরি ছেড়ে যাওয়ার ভয় পাচ্ছেন তাই না?
একজন নারী ম্যাজিস্ট্রেটকে যদি সেফটি না দিতে পারেন তাহলে দেশের সাধারণ জনগণ কে কীভাবে সেপটি দিবেন? আপনারা যদি নীরব ভূমিকা পালন করেন তাহলে দেশ ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হবে।দেশের মানুষ পুলিশের উপরে কিভাবে ডিপেন্ড করবে? পুলিশকে আরো সক্রিয় হতে হবে।
অভিযোগকারী অথবা আইনের কর্মকর্তারা যদি সেফটি না পাই! তাহলে সামনে আর কেউ অভিযোগ দিবে না। আইন প্রয়োগ কারীরাও শুধু চেয়ে চেয়ে দেখবে কোন পদক্ষেপ নেবে না। তখন অপরাধীরা ফ্রিমাইন্ডে অপরাধ করবে। জীবনের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করবে না। এখনো সময় আছে প্রত্যেকটা অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে। অপরাধী কে নির্দিষ্ট আইনে সাজা দিতে হবে।
দিনে দুপুরে একজন নারী ম্যাজিস্ট্রেটের উপরে এই হামলা মেনে নেওয়া যায় না। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে এই হামলাকারীদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বলবো,যে সমস্ত পুলিশ ভাইয়েরা নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করবে তাদেরকে দ্রুত সাসপেন্ড করে দিতে হবে। এবং আপনার অতি উৎসাহী নেতাকর্মীদেরকে শান্ত রাখুন। এভাবে চলতে থাকলে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাবে। তখন কিন্তু সামাল দিতে পারবেন না।
All reactions:
7 comments
12 shares
Like
Comment
Share