রংপুর রেঞ্জের নতুন ডিআইজি আবদুল মাবুদ
রংপুর মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মোহাম্মদ আবদুল মাবুদকে রংপুর রেঞ্জের নতুন ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-১ এর উপসচিব তৌছিফ আহমেদ সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলির আদেশ দেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে দায়িত্ব পালন শেষে আবদুল মাবুদকে এখন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং জনবান্ধব পুলিশিংয়ের ক্ষেত্রে তার এই নতুন পদায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
২০তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা আবদুল মাবুদ চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। গত বছরের ২৬ নভেম্বর ডিআইজি পদে পদোন্নতি পান তিনি। প্রায় দেড় দশক ধরে তার পদোন্নতি থেমে ছিল।
জিতু কবীর/এসজেডএইচ/জেআইএম
বিজ্ঞাপন
খুলে দেওয়া হলো ঋজুক-নাফামুখ ঝরনা
দীর্ঘদিন পর উন্মুক্ত করা হয়েছে ঋজুক, নাফামুখ ঝরনাসহ বান্দরবানের চার পর্যটনকেন্দ্র।
বুধবার (১২ আগস্ট) বান্দরবান জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে বান্দরবান পার্বত্য জেলার থানচি উপজেলার তমাতুঙ্গী থেকে ২৪ কিলোমিটার টিওবি পর্যন্ত এবং তিন্দুমুখ থেকে নাফামুখ পর্যন্ত, রুমা উপজেলার কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত এবং ঋজুক ঝরনা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হলো।
এসব পর্যটন স্পটে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব বিধি-নিষেধ ও নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
নয়ন চক্রবর্তী/এসআর/জেআইএম
হাসপাতালে এমপির পরিদর্শন ঘিরে বিএনপি-জামায়াতের হাতাহাতি
মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে সংসদ সদস্যের পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতালে ভুয়া আইডি কার্ডধারী একজনকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে যায়।
বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খানের হাসপাতাল পরিদর্শনকালে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় সংসদ সদস্যকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও করেছে জামায়াত। তবে বিএনপি নেতাদের দাবি, তাদের এক কর্মীকে মারধরের কারণেই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকালে সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খান ও তার সঙ্গে থাকা জামায়াতের নেতাকর্মীরা হাসপাতাল পরিদর্শনে যান। প্রথমে তারা হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. বেলাল হোসেনের কক্ষে যান। সেখানে চিকিৎসককে পাওয়া যায়নি। তবে হাজিরা খাতায় তার স্বাক্ষর রয়েছে দেখতে পান তারা। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিকিৎসকের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেন সংসদ সদস্য।
এরপর সংসদ সদস্য ও তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা হাসপাতালের নতুন ভবনের প্যাথলজি বিভাগে যান। সেখানে একজনকে হাসপাতালের অ্যাডমিশন/আইডি কার্ড ছাড়া দেখতে পান তারা। তাকে পরিচয় জানতে চাইলে তিনি হাসপাতালের একজন কর্মীর আইডি কার্ড দেখান।
পরে কার্ডটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেখানো হলে সেটি ভুয়া বলে জানানো হয়। এ নিয়ে ওই ব্যক্তি ও পরিদর্শনকারী দলের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে জামায়াতের এক কর্মী তাকে কয়েকটি থাপ্পড় দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পরে সংসদ সদস্য ও তার সঙ্গে থাকা জামায়াতের নেতাকর্মীরা কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে ওজোপাডিকো কার্যালয়ের দিকে যান। জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, সেখানে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের বাইরে থেকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফয়েজ মোহাম্মদ ও সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম এবং সদর থানা পুলিশের একটি দল পৌঁছায়। পরে পুলিশ ও বিএনপি নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সংসদ সদস্য ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সেখান থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়।
জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হুছাইন বলেন, ‘হাসপাতাল দালালমুক্ত করার জন্যই সংসদ সদস্য পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানে বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। এতে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। পরে উভয় দলের নেতারা বসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।’
তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল যেকোনো মূল্যে দালালমুক্ত করা হবে। সেখানে বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা মবের সৃষ্টি করেছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম বলেন, সেখানে কোনো মবের সৃষ্টি হয়নি। জামায়াত নেতাকর্মীরা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে একজনকে মারধর করে। এজন্যই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। তবে বিএনপি নেতাদের দুরদর্শিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা দায়ী। তবে যে কোনো মূল্যে হাসপাতালে দালাল মুক্ত করা হবেও বলেও জামায়াতের সঙ্গে একই সুরে কথা বলেনি এ নেতা।
মেহেরপুর সদর থানার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ন কবীর বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হাসপাতালে সব কার্যক্রমও স্বাভাবিক রয়েছে।
আসিফ ইকবাল/কেএইচকে/জেআইএম
‘গ্যাস টিমটিম করে আসে, রান্না শেষ হওয়ার আগেই চলে যায়’
নারায়ণগঞ্জ শহরে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকাল থেকে শহরের বেশিরভাগ বাসাবাড়িতে গ্যাস সরবরাহ প্রায় পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নারায়ণগঞ্জবাসী।
বিশেষ করে রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ, চাকরিজীবী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা। গ্যাস না থাকায় অনেকেই স্থানীয় হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে খাবার কিনে খাচ্ছেন। আবার কেউবা আত্মীয়-স্বজনের বাসা থেকে খাবার এনে দিন পার করছেন।
শহরের বাবুরাইল এলাকার বাসিন্দা গৃহবধূ শাহানাজ বেগম জাগো নিউজকে বলেন, ‘সকালে রান্না করতে উঠে দেখি গ্যাস নেই। যে কারণে সকালে কেউই বাসা থেকে নাশতা করতে যেতে পারেনি। পরে বাধ্য হয়ে প্রচণ্ড এই গরমে কাঠের চুলা ব্যবহার করে অনেক কষ্টে দুপুরের রান্না সারতে হয়েছে।’
গলাচিপা এলাকার বাসিন্দা মিতু আক্তার বলেন, ‘আমাদের এখানে অনেক দিন ধরেই গ্যাসের সমস্যা। সকালে একেবারেই থাকে না। মাঝে মাঝে একটু টিমটিম করে আসে, তাও রান্না শেষ হওয়ার আগেই চলে যায়। আজ সকাল থেকে একফোঁটা গ্যাসও নেই। পরে ছোট বোন তার বাসা থেকে খাবার দিয়ে গেছে। নয়তো বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে হতো।’
এ বিষয়ে চাষাঢ়া বালুরমাঠে তিতাস গ্যাসের আঞ্চলিক বিপণন বিভাগ-নারায়ণগঞ্জের উপমহাব্যবস্থাপক মনজুর আজিজ মোহন বলেন, ‘আমাদের এলএনজি সরবরাহের প্রধান উৎস এফএসআরইউয়ের (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড গ্যাসিফিকেশন ইউনিট) দুটি ইউনিটের মধ্যে একটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। সেটি মেরামত শেষে নতুন করে সংযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ কারণে গত কয়েক দিন ধরে গ্যাস সরবরাহে স্বল্পতা তৈরি হয়েছে। আমাদের ধারণা, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ ডিপার্টমেন্টে আমাদের প্রায় ৮১ হাজার গ্রাহক রয়েছেন। এর মধ্যে যারা ডাউনস্ট্রিম এলাকায় অবস্থান করছেন, তারাই মূলত এই গ্যাস স্বল্পতায় বেশি ভুগছেন। তবে আপস্ট্রিমে থাকা গ্রাহকরা কিছুটা হলেও সরবরাহ পাচ্ছেন। আমরা দ্রুত এই সংকট নিরসনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
মোবাশ্বির শ্রাবণ/এসআর
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ ফরিদপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীসহ নিহত ২
- ২ অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শিক্ষার্থীদের নিজস্ব ক্যাম্পাসের দাবি
- ৩ ইঁদুরের ফাঁদ-কবুতরের বিষ্ঠার পাশেই তৈরি হচ্ছিল ফুচকা
- ৪ রংপুরে সপরিবারে শিক্ষক হত্যায় ডোমের বক্তব্যে যে ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ
- ৫ স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত সেই বিএনপি নেতাকে বহিষ্কার