• NEWS PORTAL

  • মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

ছয় মাসে প্রায় ৬২ হাজার মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছে: সিপিডি

প্রকাশিত: ১৪:১৫, ২৪ আগস্ট ২০২৬

ফন্ট সাইজ
ছয় মাসে প্রায় ৬২ হাজার মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছে: সিপিডি

দেশের অর্থনীতিতে গত ছয় মাসে ৩১টি গুরুত্বপূর্ণ সূচকের মধ্যে ১৯টিতেই অবনমন হয়েছে বলে জানিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। একই সময়ে বিভিন্ন কারণে ৯৫টি কারখানা বন্ধ হয়ে প্রায় ৬২ হাজার মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। অর্থনীতিকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে না পারলে সরকার পুরোনো সিন্ডিকেটের কবলে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, আমলাতান্ত্রিক চাপের ভয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের ক্ষেত্রে সরকার রাজনৈতিক সাহস দেখাতে পারছে না।

সংস্থাটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমানসহ অন্যান্য অর্থনীতিবিদ উপস্থিত ছিলেন।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বর্তমান সরকার কোন অবস্থায় অর্থনীতি পেয়েছে, সে বিষয়ে কোনো নথিপত্র নেই। তাঁর মতে, হয়তো অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো বাছবিচার করতে চাননি বলেই এ বিষয়ে কোনো দলিল রাখা হয়নি।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের উচ্চপর্যায়ে দলীয় নিয়োগ ঠিক হয়নি। ‘জিরো টলারেন্স’ বলার পরও মব হয়েছে। এসব বিষয় সরকারের জন্য অস্বস্তির জায়গা তৈরি করেছে।

নতুন ঋণ নেওয়ার আগে আগের ঋণের পরিমাণ এবং কত বছরের মধ্যে তা পরিশোধ করা হবে, সে বিষয়ে একটি মূল্যায়ন করা প্রয়োজন ছিল বলেও মন্তব্য করেন ড. দেবপ্রিয়।

তিনি বলেন, গত ছয় মাসে বিভিন্ন কারণে ৯৫টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। এতে প্রায় ৬২ হাজার মানুষ কাজ হারিয়েছেন।

অর্থনীতির সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরে সিপিডি জানায়, ছয় মাসে ৩১টি অর্থনৈতিক সূচকের মধ্যে ১৯টিতেই অবনমন দেখা গেছে। এ অবস্থায় অর্থনীতি পরিচালনায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

সিপিডির আশঙ্কা, অর্থনীতিকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে না পারলে সরকার পুরোনো সিন্ডিকেটের কবলে পড়তে পারে। তাই অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন:

অক্টোবরেই উদ্বোধন হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: বিমানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১৩:৪৮, ২৪ আগস্ট ২০২৬

আপডেট: ১৩:৪৯, ২৪ আগস্ট ২০২৬

ফন্ট সাইজ
অক্টোবরেই উদ্বোধন হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: বিমানমন্ত্রী

চলতি বছরের অক্টোবরেই কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্বোধন করবেন বলে জানান তিনি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে এভিয়েশন ও পর্যটন খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন ‘এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশ (এটিজেএফবি)’র সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের কাজ এগিয়ে চলছে। অক্টোবরে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সও ফ্লাইট পরিচালনা করবে। ইতোমধ্যে কয়েকটি বিদেশি এয়ারলাইন্স কক্সবাজার থেকে ফ্লাইট পরিচালনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কক্সবাজার থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চলছে।

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর বিষয়ে তিনি বলেন, টার্মিনালটি ডিসেম্বর মাসে চালু করার লক্ষ্যে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে। আগামী মাসে (সেপ্টেম্বর) জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হবে। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে বিমানবন্দরের সক্ষমতা ও যাত্রীসেবার মান আরও বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এ সময় এটিজেএফবির সভাপতি তানজিম আনোয়ার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, মন্ত্রী হিসেবে তাঁর নেতৃত্বে দেশের এভিয়েশন ও পর্যটন খাত আরও এগিয়ে যাবে।

বিভি/এআই

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ঝড়, উঠলো নতুন উচ্চতায়

প্রকাশিত: ১৩:২০, ২৪ আগস্ট ২০২৬

আপডেট: ১৩:২০, ২৪ আগস্ট ২০২৬

ফন্ট সাইজ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ঝড়, উঠলো নতুন উচ্চতায়

ছবি: ফাইল ফটো

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম তিন মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। মার্কিন ডলারের দুর্বল অবস্থান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের নতুন ইঙ্গিতের অপেক্ষায় মূল্যবান ধাতুটির চাহিদা বেড়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্পট গোল্ডের দাম ০.৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬৪১ দশমিক ২৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। দিনের শুরুতে দাম ১৫ মে’র পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল। এর আগে গত সপ্তাহেও স্বর্ণের দাম ৫ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার ০.৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬৯৭ দশমিক ৭০ ডলারে লেনদেন হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, কয়েক মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি থাকা ডলারের কারণে অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের কাছে স্বর্ণ তুলনামূলক সস্তা হয়ে উঠেছে। এতে চাহিদা বাড়ছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার কমার সম্ভাবনা স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ আরও বাড়াতে পারে।

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাও স্বর্ণের দাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়ায় নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা শক্তিশালী রয়েছে।

এদিকে স্পট রুপার দাম প্রায় অপরিবর্তিত থেকে প্রতি আউন্স ৬৮ দশমিক ৯৮ ডলার, প্লাটিনাম ০.১ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮৭৮ দশমিক ৮৮ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ১ হাজার ৩৫০ ডলারে রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স

বিভি/এমআর

বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম

প্রকাশিত: ০৯:৫৭, ২৪ আগস্ট ২০২৬

ফন্ট সাইজ
বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম

ছবি: সংগৃহীত

এশিয়ার বাজারে সপ্তাহের প্রথম দিনের লেনদেন শুরুতেই কমেছে তেলের দাম। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার আশায় তেলের দামে এই পতন দেখা গেলো।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ দশমিক ৪৫ ডলারে নেমে যায়।  একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল ওয়েস্ট টেক্সাস মিডিয়েটেরও (ডব্লিউটিআই)  দামও ১ শতাংশের বেশি কমে ৮৬ দশমিক ১৪ ডলারে দাঁড়ায়। রয়টার্সের খবর।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপের একটি ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ আসছে।  আজ (সোমবার) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি নতুন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেবেন বলে জানা গেছে।

বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত জানা গেলে তেলের বাজারের পরবর্তী গতিপথ আরও পরিষ্কার হবে।

বিভি/এআই

ভারতের বিদ্যুৎ আনতে এবার দিতে হবে নতুন চার্জ, নেপথ্যে কী

প্রকাশিত: ২৩:১৩, ২৩ আগস্ট ২০২৬

ফন্ট সাইজ
ভারতের বিদ্যুৎ আনতে এবার দিতে হবে নতুন চার্জ, নেপথ্যে কী

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে নতুন একটি চার্জ যুক্ত হতে যাচ্ছে। আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্যের জন্য প্রতি ইউনিটে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি করে ‘সেটেলমেন্ট নোডাল এজেন্সি’ (এসএনএ) চার্জ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। পরিমাণে কম হলেও বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ আমদানির কারণে দীর্ঘমেয়াদে এর বড় আর্থিক প্রভাব পড়তে পারে।

এই চার্জ কার্যকর করতে ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যাপার নিগম লিমিটেড (এনভিভিএন) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে এসএনএ চুক্তি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মতামত চেয়ে গত ১৮ আগস্ট অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ বিভাগের আশঙ্কা, চুক্তি সম্পন্ন করতে দেরি হলে এনভিভিএনের মাধ্যমে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

কেন নেওয়া হচ্ছে এই চার্জ?
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (সিইআরসি) আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্যের জন্য শুরুতে প্রতি ইউনিটে ০.০১ ভারতীয় রুপি চার্জ নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছিল। পরে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আবেদনের পর তা কমিয়ে ০.০০৫ রুপি করা হয়।

ভারত থেকে নেপাল ও ভুটানে বিদ্যুৎ বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও একই হারে এসএনএ চার্জ নেওয়া হচ্ছে।

ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সময়সূচি তৈরি, মিটার থেকে ব্যবহারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ব্যবহারের হিসাব সমন্বয় এবং গ্রিড পরিচালনাসহ বিভিন্ন কাজের ব্যয় মেটাতেই এই চার্জ নেওয়া হবে।

ভারতের বিদ্যুতের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা
বিভিন্ন চুক্তির আওতায় ভারত থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। এর মধ্যে সরকারি পর্যায়ে এনভিভিএনের মাধ্যমে এনটিপিসির কেন্দ্র থেকে ২৫০ মেগাওয়াট, দামোদর ভ্যালি করপোরেশন থেকে ৩০০ মেগাওয়াট এবং ত্রিপুরা স্টেট ইলেকট্রিসিটি করপোরেশন থেকে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির ব্যবস্থা রয়েছে।

এ ছাড়া পিটিসি ইন্ডিয়ার মাধ্যমে সেম্বকর্প এনার্জি ইন্ডিয়ার একটি কেন্দ্র থেকে ২০০ মেগাওয়াট এবং সেম্বকর্প থেকে সরাসরি আরও ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি রয়েছে। এসব উৎস মিলিয়ে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য এনভিভিএন ও বিপিডিবির মধ্যে এসএনএ চুক্তি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, ভারতের আদানি পাওয়ারের ঝাড়খণ্ডের গড্ডা কেন্দ্র থেকেও ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি রয়েছে বাংলাদেশের। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতেই এ ধরনের চার্জের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে এই বিদ্যুতের জন্য আলাদা এসএনএ চুক্তির প্রয়োজন হবে না।

বছরে বিদ্যুৎ আমদানিতে ব্যয় ১৭ হাজার কোটি টাকার বেশি
ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ব্যয় শুধু বিদ্যুতের মূল দামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর সঙ্গে হুইলিং বা সঞ্চালন চার্জও যুক্ত হয়। এবার এর সঙ্গে নতুন করে যোগ হতে যাচ্ছে এসএনএ চার্জ।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের হিসাবে, আদানি পাওয়ার, এনভিভিএন, পিটিসি ইন্ডিয়া ও সেম্বকর্প—এই চার উৎস থেকে বাংলাদেশ প্রায় ১ হাজার ৬৪১ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ আমদানি করেছে। এর মূল দাম বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৯৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ কিনতে। ৮০৩ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ আমদানির বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটিকে দেওয়া হয়েছে ১১ হাজার ৯৩৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। এনভিভিএনের বিদ্যুতের জন্য ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৪৫৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা। পিটিসি ইন্ডিয়ার বিদ্যুতে ১ হাজার ৬৫১ কোটি ৩২ লাখ এবং সেম্বকর্পের বিদ্যুতে ১ হাজার ৯৫৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

এনভিভিএনের বিদ্যুতের জন্য হুইলিং চার্জ বাবদ আলাদাভাবে আরও ২১১ কোটি ৭১ লাখ টাকা দিয়েছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে ওই অর্থবছরে চার উৎস থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের পেছনে মোট ব্যয় হয়েছে ১৭ হাজার ২১১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

নতুন এসএনএ চার্জ এই ব্যয়ের সঙ্গে আরও একটি খরচ যোগ করবে। প্রতি ইউনিটে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি হিসাবে হারটি তুলনামূলকভাবে কম হলেও আমদানির পরিমাণ বেশি হওয়ায় মোট ব্যয়ের ওপর এর প্রভাব পড়বে।

বিশেষ করে দেশে গ্যাসের সংকটের কারণে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হলে আমদানিনির্ভরতা আরও বাড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসএনএ চার্জ বাবদ বাংলাদেশের ব্যয়ও বাড়বে।

বিভি/টিটি

সর্বাধিক পঠিত