কৃতজ্ঞতার ঋণ কি এত সহজেই অস্বীকার করা যায়?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা
যখন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের পরিচয় ভুলে
মানবিকতার হাত বাড়িয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীরের চিকিৎসায় সহায়তা করেছিলেন,
তখন তিনি রাজনীতি নয়—মানবিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন।
কিন্তু আজ সেই মানবিকতার কথা ভুলে গিয়ে
তাঁর বিরুদ্ধেই যখন যা ইচ্ছা বলা হয়,
তখন প্রশ্ন জাগে—রাজনৈতিক বিরোধিতা কি
কৃতজ্ঞতাবোধকেও হত্যা করে দিয়েছে?
সমালোচনা করুন, রাজনৈতিক মতের বিরোধিতা করুন—
সেটা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু যাঁর মানবিক সহায়তা
একসময় পেয়েছেন, তাঁর প্রতি ন্যূনতম সৌজন্য ও
কৃতজ্ঞতাটুকুও কি মনে রাখা যায় না?
যে মানুষ প্রতিপক্ষের বিপদে পাশে দাঁড়াতে জানেন,
তাঁকে নিয়ে বিষোদগারকারীদের আগে নিজের
বিবেকের আয়নায় তাকানো উচিত।
ক্ষমতা ও রাজনীতি পরিবর্তনশীল,
কিন্তু মানুষের চরিত্রের পরিচয় থেকে যায়।
শেখ হাসিনার মানবিকতা ভুলে গেলেও ইতিহাস ভুলবে না।