বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম

নেইমারকে কিংবদন্তি বলে ক্ষমা চাইলেন নরওয়ের গোলরক্ষক

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম

3 Shares
facebook sharing button
twitter sharing button
copy sharing button
whatsapp sharing button
linkedin sharing button
print sharing button
ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে নেইমার ও নিয়ল্যান্ডের কথার লড়াই। ছবি : সংগৃহীত

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে নেইমার ও নিয়ল্যান্ডের কথার লড়াই। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে বিদায় দেওয়ার ঐতিহাসিক ম্যাচের স্মৃতি এখনও ফুটবলপ্রেমীদের মনে তাজা। সেই ম্যাচে নরওয়ের জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন গোলরক্ষক ওরিয়ান নিয়ল্যান্ড। তবে জয়ের গৌরবের চেয়ে প্রতিপক্ষের প্রতি শ্রদ্ধাকেই এবার বেশি গুরুত্ব দিলেন তিনি।

ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার নেইমার জুনিয়রকে উদ্দেশ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় ক্ষমা চেয়ে আলোচনায় এসেছেন নরওয়ের এই গোলরক্ষক।

সম্প্রতি নিজের পোস্টে নিয়ল্যান্ড লিখেছেন, ‘আমি কখনোই সেই ম্যাচটি ভুলব না। ব্রাজিল ছিল আমাদের বিপক্ষে খেলা অন্যতম সেরা দল। নেইমার এখনও আমার কাছে একজন কিংবদন্তি, আর আমি আশা করি তিনি আমাকে ক্ষমা করবেন।’

নিয়ল্যান্ড তার বার্তায় নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার উল্লেখ না করলেও ‘ক্ষমা’ চাওয়ার বিষয়টি ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। অনেকের ধারণা, ম্যাচের শেষ দিকে নেইমারের পেনাল্টিকে ঘিরে তৈরি হওয়া উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তের স্মৃতিই হয়তো তাকে এমন অনুভূতি প্রকাশে অনুপ্রাণিত করেছে।

প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড় হয়েও নেইমারের প্রতি নিয়ল্যান্ডের অকপট শ্রদ্ধা ও বিনয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। ব্রাজিল ও নেইমারের সমর্থকদের পাশাপাশি নিরপেক্ষ ফুটবলপ্রেমীরাও তার এই আচরণকে ক্রীড়াসুলভ মানসিকতার উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় সাফল্য। সেই জয়ের অন্যতম নায়ক হয়েও অহংকার নয়, বরং প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে নিয়ল্যান্ড আবারও মনে করিয়ে দিলেন—ফুটবলের প্রকৃত সৌন্দর্য কেবল জয়-পরাজয়ে নয়, খেলোয়াড়দের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও মানবিকতায়ও নিহিত।

পরবর্তী খবর

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত:জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম

গুগলে ‘চোরের দলের খেলা কবে’ সার্চ করলেই যা দেখাচ্ছে

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত:জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম

33 Shares
facebook sharing button
twitter sharing button
copy sharing button
whatsapp sharing button
linkedin sharing button
print sharing button
গুগলে ‘চোরের দলের খেলা কবে’ সার্চ করলেই যা দেখাচ্ছে

ছবি : সংগৃহীত

সার্চ ইঞ্জিন গুগলে ‘চোরের দলের ফুটবল খেলা কবে’ লিখে অনুসন্ধান করলেই ভেসে উঠছে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচের তথ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুগলের এই সার্চ রেজাল্টের স্ক্রিনশট ও তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর তা রীতিমতো ভাইরাল হয়ে পড়েছে। ব্যবহারকারীরা এই আপত্তিকর বাক্যটি লিখে সার্চ করলেই দেখতে পাচ্ছেন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার আসন্ন ম্যাচের সময়সূচি।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি গুগলের কোনো অফিশিয়াল বা প্রাতিষ্ঠানিক নামকরণ কিংবা যান্ত্রিক ত্রুটি নয়। মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীদের একাংশ ও অন্যান্য দেশের সমর্থকরা বিপুল সংখ্যক ট্রোল পোস্ট, ভিডিও, মিম ও ক্যাপশনে আর্জেন্টিনাকে ব্যঙ্গ করতে ‘চোরের দল’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

ইন্টারনেটে এই শব্দের আধিক্য থাকার কারণে গুগলের সার্চ অ্যালগরিদম নির্দিষ্ট ওই কিওয়ার্ডের সঙ্গে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচের যোগসূত্র তৈরি করে নিয়েছে এবং ব্যবহারকারীদের সামনে এই ফলাফল প্রদর্শন করছে।

এই ট্রোলের নেপথ্যে রয়েছে ফুটবল ইতিহাসের চিরস্মরণীয় ও বিতর্কিত এক ম্যাচ। ১৯৮৬ সালের ২২ জুন মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচে আলবিসেলেস্তেদের ২-১ গোলের জয়ের দিনে কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা প্রথমে হাত দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলটি করেন।

অবশ্য এর কিছুক্ষণ পরই প্রায় অর্ধেক মাঠ জুড়ে ড্রিবলিং করে তিনি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ উপহার দেন। ম্যারাডোনার ওই প্রথম বিতর্কিত গোলের জের ধরেই আজও প্রতিপক্ষ সমর্থকদের একটি বড় অংশ আর্জেন্টিনাকে ব্যঙ্গ করে এই নামে ডেকে থাকে।

২০২৬ বিশ্বকাপে এসে দীর্ঘ ৪০ বছর পর আবারও সেমিফাইনালের মঞ্চে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে সেই ঐতিহাসিক দ্বৈরথ ও বিতর্ক নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। যার ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রোল ও মিমের বন্যা বয়ে যাচ্ছে এবং ‘চোরের দলের খেলা কবে’ সার্চটিও ট্রেন্ডিংয়ে চলে এসেছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, ‘চোরের দল’ কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ফিফা স্বীকৃত নাম নয়। এটি পুরোপুরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ফুটবল সমর্থকদের একটি ব্যঙ্গাত্মক ট্রল। ভাইরাল কনটেন্টের প্রভাবে গুগলের সার্চ ফলাফলে এর প্রতিফলন ঘটলেও এটিকে কোনো ঐতিহাসিক সত্য বা আনুষ্ঠানিক বিষয় হিসেবে ধরে নেয়ার সুযোগ নেই।

পরবর্তী খবর

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত:জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর এবার পোকার টেবিলেও হারলেন নেইমার

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত:জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম

2 Shares
facebook sharing button
twitter sharing button
copy sharing button
whatsapp sharing button
linkedin sharing button
print sharing button
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর এবার পোকার টেবিলেও হারলেন নেইমার

পোকার টেবিলে নেইমার। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের স্বপ্নভঙ্গের পর এবার পোকার টেবিলেও হতাশ হতে হলো নেইমার জুনিয়রকে। লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত মর্যাদাপূর্ণ একটি পোকার টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে প্রথম দিনেই বিদায় নিয়েছেন ব্রাজিলের এই তারকা ফুটবলার।

২০২৬ বিশ্বকাপে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলের হারের পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি নেইমার। মাঠেই কেঁদে ফেলেন তিনি। সেই দৃশ্য বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মন ছুঁয়ে যায়।

তবে বিশ্বকাপের হতাশা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই নতুন এক চ্যালেঞ্জে নামেন নেইমার। এবার তিনি অংশ নেন লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পোকার টুর্নামেন্টে। কিন্তু সেখানেও সাফল্যের দেখা পাননি ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ওয়ার্ল্ড সিরিজ অব পোকারের ১০ হাজার ডলারের মেইন ইভেন্টে খেলতে নামেন নেইমার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাকে পোকার টেবিলে খেলতে দেখা যায়। তবে প্রতিযোগিতার প্রথম দিনেই শেষ হয়ে যায় তার যাত্রা। ডে-১ থেকেই বাদ পড়েন তিনি।

যদিও পেশাদার পোকার টুর্নামেন্টে নেইমারের অংশগ্রহণ এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০২৫ সালের ওয়ার্ল্ড সিরিজ অব পোকারে দারুণ পারফরম্যান্স করে ফাইনাল টেবিল পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন তিনি। কিন্তু এবার সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করতে পারেননি ব্রাজিলের এই ফুটবলার।

লাস ভেগাসে নেইমারের এই ব্যর্থতা আসে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পরপরই। গত ৫ জুলাই নরওয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে হারের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন তিনি। চোটের কারণে পুরো বিশ্বকাপে নিজের সেরা অবস্থায় ছিলেন না নেইমার। বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাত্র দুটি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পান তিনি।

জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপে নেইমারের শেষ গোলটিও আসে নরওয়ের বিপক্ষে। অতিরিক্ত সময়ে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করলেও সেটি ব্রাজিলকে পরাজয় থেকে বাঁচাতে পারেনি।

পোকারের প্রতি নেইমারের আগ্রহ অবশ্য নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই খেলার সঙ্গে যুক্ত তিনি। ফুটবলের পাশাপাশি পোকার খেলাতেও তার আগ্রহের কথা অনেকবার সামনে এসেছে।

তবে এই শখ নিয়ে আগেও সমালোচনার মুখে পড়েছেন নেইমার। চলতি বছরের শুরুতে অভিযোগ উঠেছিল, সান্তোসের একটি ম্যাচে না খেলেও তিনি প্রায় ২৪ ঘণ্টা অনলাইন পোকার খেলায় ব্যস্ত ছিলেন। বিষয়টি ব্রাজিলের ফুটবল মহলে আলোচনার জন্ম দেয় এবং তার পেশাদারিত্ব নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের গ্রীষ্মটা নেইমারের জন্য হতাশার গল্প হয়েই থাকছে।

পরবর্তী খবর

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত:জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৫:২২ পিএম

আবারও মাঠে নামতে যাচ্ছে ব্রাজিল, প্রতিপক্ষ কারা

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত:জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৫:২২ পিএম

11 Shares
facebook sharing button
twitter sharing button
copy sharing button
whatsapp sharing button
linkedin sharing button
print sharing button
আবারও মাঠে নামতে যাচ্ছে ব্রাজিল, প্রতিপক্ষ কারা

ব্রাজিল। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের হতাশা পেছনে ফেলে আবারও মাঠে ফিরতে যাচ্ছে ব্রাজিল। ‘হেক্সা’ জয়ের স্বপ্ন পূরণ না হওয়ায় ২৮ বছরের অপেক্ষা নিয়ে নতুন করে পথচলা শুরু করবে সেলেসাওরা। বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো মাঠে নামবে ব্রাজিল, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে অস্ট্রেলিয়া। সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, এনরিক ও রদ্রিগোরা।

সেলেসাওদের বহু প্রতীক্ষিত ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপার স্বপ্ন আরও চার বছরের জন্য পিছিয়ে গেছে। ২০০২ সালে পঞ্চমবারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফি জিতেছিল ব্রাজিল। এরপর থেকেই অপেক্ষা শুরু হয়েছিল ষষ্ঠ শিরোপার। দেখতে দেখতে কেটে গেছে ২৪ বছর, কিন্তু ব্রাজিলের ট্রফি ক্যাবিনেটে আর যোগ হয়নি বিশ্বকাপের মুকুট।

এবারের বিশ্বকাপেও সেই অপেক্ষার অবসান হয়নি। নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে রাউন্ড অব সিক্সটিন থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে ব্রাজিলকে। ফলে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের অপেক্ষা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ বছরে। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিল কেমন করবে, সেটি সময়ই বলে দেবে। তবে আপাতত নতুন করে প্রস্তুতি শুরু করতে হবে দলটিকে।

বিশ্বকাপের পর ব্রাজিলের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচের প্রতিপক্ষ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার নাম নিশ্চিত হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে ব্রাজিল। দুই দলের মধ্যে দুটি প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

অস্ট্রেলিয়া ফুটবল কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে ম্যাচের সূচিও চূড়ান্ত করেছে। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর টাউনসভিলে প্রথম প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়া। এরপর ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় ম্যাচ।

দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যানেও এগিয়ে রয়েছে ব্রাজিল। ১৯৮৮ সালে প্রথমবার মুখোমুখি হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ১১ বার খেলেছে দল দুটি। এর মধ্যে ব্রাজিল জয় পেয়েছে ৮ ম্যাচে, অস্ট্রেলিয়া জিতেছে মাত্র একবার। বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।

এই দুটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পেছনে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্য সরকারের বড় পরিকল্পনা। ২০৩২ সালের ব্রিসবেন অলিম্পিককে সামনে রেখে কুইন্সল্যান্ডকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তারা।

বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে হারের পর ব্রাজিলের বিদায় ছিল বেশ আবেগঘন। নেইমার, ভিনিসিয়ুস জুনিয়রসহ দলের অনেক তারকাকেই চোখের জলে বিশ্বমঞ্চ ছাড়তে হয়েছে। দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষা শেষ করতে আগামী চার বছরে নতুন করে কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে সেলেসাওদের।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই সেই নতুন যাত্রা শুরু করবে ব্রাজিল। বিশ্বকাপ ব্যর্থতা ভুলে দলটি এখন ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার লক্ষ্যেই মাঠে নামবে।

পরবর্তী খবর

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত:জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম

ফ্রান্স না স্পেন জয়ী হবে কে, জানাল সুপার কম্পিউটার

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত:জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম

14 Shares
facebook sharing button
twitter sharing button
copy sharing button
whatsapp sharing button
linkedin sharing button
print sharing button
ফ্রান্স না স্পেন জয়ী হবে কে, জানাল সুপার কম্পিউটার

ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় সেমিফাইনালে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাতে ডালাস স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই পরাশক্তি ফ্রান্স ও স্পেন। টুর্নামেন্টের অন্যতম দুই ফেবারিটের এই লড়াই ঘিরে ফুটবল বিশ্বে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান অপটার সুপার কম্পিউটারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই ম্যাচে ফ্রান্সের সামান্য এগিয়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অপটার ২৫ হাজার সিমুলেশনের ফলাফলে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ফ্রান্সের জয়ের সম্ভাবনা ৪৩.৯ শতাংশ। স্পেনের জয়ের সম্ভাবনা ২৯ শতাংশ, আর ম্যাচটি ড্র হয়ে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ২৭.১ শতাংশ

তবে সবকিছু কাটিয়ে ফ্রান্সের ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা ধরা হয়েছে ৫৭.১ শতাংশ। পুরো বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনাও ফ্রান্সের সবচেয়ে বেশি (৩৪.৬ শতাংশ), যেখানে স্পেনের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে ২৩.৮ শতাংশ।

কোয়ার্টার-ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা ষষ্ঠ জয় তুলে নিয়েছে ফ্রান্স। এবার লক্ষ্য টানা সপ্তম জয়, যা এর আগে ইউরোপের কোনো দল হিসেবে কেবল ইতালিই (১৯৩৪ ও ১৯৩৮ বিশ্বকাপে) করতে পেরেছিল।

এটি ফ্রান্সের অষ্টম বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল। কেবল জার্মানি (১২ বার) তাদের চেয়ে বেশি সেমিফাইনাল খেলেছে। ১৯৯৮, ২০০৬, ২০১৮ ও ২০২২; সর্বশেষ চারটি সেমিফাইনালেই জয় পেয়েছে ফরাসিরা। সর্বশেষ তিনটি সেমিফাইনালে তারা কোনো গোলও হজম করেনি।

এ ছাড়া জার্মানি (১৯৮২, ১৯৮৬ ও ১৯৯০) এবং ব্রাজিলের (১৯৯৪, ১৯৯৮ ও ২০০২) পর টানা তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার কীর্তি গড়ার সুযোগও রয়েছে দেশমের দলের সামনে।

কিলিয়ান এমবাপ্পে এবারের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন। কোয়ার্টার-ফাইনালে গোড়ালির চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লেও সেমিফাইনালে তার খেলার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। এ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে আট গোল করে তিনি গোল্ডেন বুটের দৌড়ে লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন।

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এমবাপ্পের মোট গোল এখন ১২টি, যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তবে একটি পরিসংখ্যান তার জন্য কিছুটা অস্বস্তির; আগের দুই বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে তিনি গোল করতে পারেননি।

শুধু গোল করাই নয়, সতীর্থদের সুযোগ তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন এমবাপ্পে। ওসমান দেম্বেলের সঙ্গে তার বোঝাপড়া অসাধারণ। দুজন মিলে একে অপরের জন্য ১৯টি গোলের সুযোগ তৈরি করেছেন, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা জুটিগুলোর একটি।

এবারের বিশ্বকাপে স্পেনের রক্ষণভাগ ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী দলগুলোর একটি। কোয়ার্টার-ফাইনালে বেলজিয়ামের চার্লস ডি কেটেলারের হেড থেকে পাওয়া গোলটিই টুর্নামেন্টে তাদের বিপক্ষে একমাত্র গোল।

বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর পথে থাকলেও বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নেমে ম্যাচজয়ী গোল করেন মিকেল মেরিনো। এর আগে শেষ ষোলোতে পর্তুগালের বিপক্ষেও বদলি হিসেবে নেমে জয়সূচক গোল করেছিলেন তিনি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে নকআউট পর্বে বদলি হিসেবে নেমে টানা দুটি ম্যাচে জয়সূচক গোল করা প্রথম ফুটবলার এখন মেরিনো।

২০১৮ বিশ্বকাপের পর থেকে বড় টুর্নামেন্টে স্পেন খেলেছে ২৭টি ম্যাচ। এর মধ্যে মাত্র একটিতে হেরেছে তারা (১৬ জয়, ১০ ড্র)। ২০২২ বিশ্বকাপে জাপানের কাছে হারের পর টানা ১৪ ম্যাচ অপরাজিত রয়েছে লা রোহা। এই সময়ে তারা মাত্র পাঁচটি গোল হজম করেছে এবং নয়টি ম্যাচে ক্লিন শিট রেখেছে।

২০১০ সালের পর এবারই দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে স্পেন। ফ্রান্সকে হারাতে পারলে ইউরোপের প্রথম দল হিসেবে বড় টুর্নামেন্টে টানা আটটি নকআউট ম্যাচ জয়ের ইতিহাস গড়বে তারা।

দুই দলেরই কোনো খেলোয়াড় নিষেধাজ্ঞায় নেই। তবে ফ্রান্স শিবিরে উইলিয়াম সালিবা, দায়ো উপামেকানো এবং পেশির চোটে গত দুই ম্যাচ মিস করা অরেলিয়েন চুয়ামেনির ফিটনেস নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা রয়েছে। অন্যদিকে, উরুর চোট কাটিয়ে নিকো উইলিয়ামস আরও বেশি সময় মাঠে নামার অপেক্ষায় আছেন। কাঁধের চোট থেকে সেরে উঠলে ইয়েরেমি পিনোকেও দলে দেখা যেতে পারে।

বিশ্বকাপে এটি হবে ফ্রান্স ও স্পেনের মাত্র দ্বিতীয় সাক্ষাৎ। ২০০৬ সালের শেষ ষোলোতে তাদের একমাত্র বিশ্বকাপ লড়াইয়ে ৩-১ গোলে জয় পেয়েছিল ফ্রান্স। তবে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সর্বশেষ ১০ দেখায় স্পেনের রেকর্ড অনেক ভালো। তারা সাতটি ম্যাচ জিতেছে, একটি ড্র করেছে এবং মাত্র দুটি ম্যাচে হেরেছে। সর্বশেষ দুই দেখাতেই জয় স্পেনের।

ইউরো ২০২৪-এর সেমিফাইনালে ২-১ ব্যবধানে ফ্রান্সকে হারিয়েছিল স্পেন। এরপর ২০২৫ সালের নেশন্স লিগের রোমাঞ্চকর ম্যাচেও ৫-৪ ব্যবধানে জয় পায় লা রোহা।

Link copied!