এইমাত্র
  • উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ
  • দেশে মানসিক রোগীর ৯২ শতাংশই চিকিৎসার বাইরে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • দেশের ৪ কোটি নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে শতবর্ষী সরকারি যদুনাথ পাইলট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
  • বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করবে সরকার: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
  • ত্রিশাল পৌর বিএনপির সভাপতির ইন্তেকাল
  • গলাচিপায় পানিতে পড়ে প্রতিবন্ধী কিশোরের মৃত্যু
  • বরিশালে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • দুর্যোগকালীন এনজিও কিস্তি বন্ধ থাকবে বাঘাইছড়িতে: এমপি দীপেন দেওয়ান
  • গলাচিপায় অতিবৃষ্টিতে ছাতা মাথায় পরীক্ষা, ভিডিও ভাইরাল
  • আজ সোমবার, ২৯ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৩ জুলাই, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে বিএনপি নেতা গ্রেফতার

    আল মামুন জীবন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
    আল মামুন জীবন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম

    আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে বিএনপি নেতা গ্রেফতার

    আল মামুন জীবন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম

    ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে জোর করে মেয়েকে তুলে নিয়ে বিয়ে, অপমানে বাবার আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলার দুই নম্বর আসামী বিএনপি নেতা ফরহাদ ওরফে কোম্পানী (৪০) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    শনিবার (১১জুলাই) রাতে দিনাজপুর র‌্যাব ১৩ এর সহযোগিতায় বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ তাকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ভেলাজান এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হওয়া বিএনপি নেতা ফরহাদ হোসেন দুওসুও ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ও একই ইউনিয়নের মহিষমারী গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

    রবিবার দুপুরে তাকে ঠাকুরগাঁও আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি বুলবুল ইসলাম।

    পুলিশ জানায়, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের মহিষমারী গ্রামের ব্যবসায়ী আবুল কাসেমের ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে বিয়ে করে করেন বিএনপি নেতা ফরহাদ আলীর ভাই সাইফুল ইসলাম। পরে বিষয়টি ব্যবসায়ী জানতে পারলে তিনি মেয়েকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ ঘটনা জানতে পেরে সাইফুল ইসলাম ও তার ভাই বিএনপি নেতা ফরহাদ আলী গত ০১ জুলাই ওই ব্যবসায়ীকে বাড়ীর বাইরে তুলে এনে শতাধিক লোকের সামনে মারধর করে এলাকা ছাড়া করেন। চারদিন এলাকার বাইরে থাকার পর গত ০৫ জুলাই সকাল ১১টায় সামাজিক চাপ ও অপমান সহ্য করতে না পেরে নিজ বাড়ীতে আত্মহত্যা করে ব্যবসায়ী আবুল কাসেম।

    এ ঘটনায় গত ০৫ জুলাই বালিয়াডাঙ্গী থানায় সাইফুল ইসলামকে প্রধান আসামী, তার ভাই বিএনপি নেতা ফরহাদ আলীকে ২নং আসামীসহ মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ব্যবসায়ীর স্ত্রী লাবনী আক্তার।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বালিয়াডাঙ্গী থানার উপপরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, বাকী আসামীদের ধরতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

    এসআর

    সম্পর্কিত:

    উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ

    নাটোরের লালপুর উপজেলায় ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় পঞ্চগড়গামী আন্তঃনগর ট্রেন ‘একতা এক্সপ্রেস’ লাইনচ্যুত হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।দুর্ঘটনার পরপরই আপ ও ডাউন উভয় রেললাইন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে, এতে যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ট্রেনটির দুইটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় রেলপথে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ রুটে চলাচলকারী একাধিক ট্রেনের সময়সূচি মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার আব্দুল আলিম জানান, দুর্ঘটনাটি ঈশ্বরদী বাইপাস থেকে আজিমনগর রেলস্টেশনের মধ্যবর্তী ডহরশলা এলাকায় ঘটেছে।ঘটনার খবর পেয়ে পাকশী ও ঈশ্বরদী লোকোশেড থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। রেলওয়ের প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীরা দ্রুত লাইন ক্লিয়ার করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করেছেন।তবে রেল চলাচল স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।ইখা

    প্রতারনার অভিযোগ এনে লক্ষ্মীপুরে বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে মামলা

    বীমা দাবির ৬ লাখ টাকা পরিশোধ না করায় বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড নামে একটি বেসরকারি বীমা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুর আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।সোমবার (১২ জুলাই) লক্ষ্মীপুর সদর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সদর উপজেলার বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের নেয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দা শাহজাহান। মামলার আসামিরা হলেন বেঙ্গল ইসলামী লাইফ ইন্সুইরেন্স লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন্ড চীফ এক্সিকিউটির অফিসার মুন্সী মনিরুল ইসলাম, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আনিছুর রহমান সুমন, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সামছুল ইসলাম, লক্ষ্মীপুর কার্যালয়ের ম্যানেজার জাকির হোসেন, ইনচার্জ রিয়াজ হোসেন, হিসাবরক্ষক আয়াত উল্যা ও প্রতিষ্ঠানটির জকসিন বাজার কার্যালয়ের ইনচার্জ তৈয়ব রহমান৷ আদালত মামলাটি গ্রহণ করে লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তরের আদেশ  দিয়েছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী শাহজাহানের স্ত্রী পারভীন আক্তারের নামে ওই ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ১০ বছর মেয়াদে ৬ লাখ টাকার একটি স্বাস্থ্য বীমা পলিসি করা হয়। ইন্স্যুরেন্স কর্মকর্তারা তাকে আশ্বস্ত করেছেন, বীমার মেয়াদকালে কোনো দুর্ঘটনা বা মৃত্যু ঘটলে পলিসির সম্পূর্ণ অর্থ পাওয়া যাবে। সে অনুযায়ী বাদী গেল ২৬ মাস ধরে নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করে আসছেন। ২৬ কিস্তি পরিশোধের পর বাদীর স্ত্রী স্ট্রোকে মারা গেলে তিনি লক্ষ্মীপুর শাখায় বীমার মৃত্যুদাবির আবেদন করেন।অভিযোগে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রথমে টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিলেও পরে নানা অজুহাতে দাবি নিষ্পত্তি না করে হয়রানি করেন। একপর্যায়ে তারা জানিয়ে দেন, প্রধান কার্যালয় থেকে টাকা অনুমোদন হবে না।বাদী শাহজাহান অভিযোগ করে জানান, ইন্স্যুরেন্স কর্মকর্তারা প্রতারণার মাধ্যমে তার বিশ্বাসভঙ্গ করে ৬ লাখ টাকার বীমার অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তাই তিনি আদালতের দারস্থ হয়েছেন৷ বাদী পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ ইস্রাফিল হাসান বলেন, বীমা পলিসির নামে বাদীর সাথে প্রতারণা করা হয়েছে মর্মে আদালতে এজাহার দায়ের করেন। আদালত এজাহারটি গ্রহণ করে সদর থানার ওসিকে তদন্ত করার আদেশ দিয়েছেন৷ এ বিষয়ে বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির লক্ষ্মীপুর কার্যালয়ের ডেপুটি প্রজেক্ট হেড মো. জিলকদ হোসেন রিয়াজ বলেন, পলিসি করার সময় পারভীন আক্তার অসুস্থতার তথ্য গোপন করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন হাঁপানি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। কিন্তু আমাদেরকে জানানো হয়েছে, তিনি স্টোক করে মারা গেছেন। তাই তথ্য গোপন করার কারণে তার বীমা দাবিটি বাতিল হয়েছে। একজন অসুস্থ ব্যক্তির নামে বীমা হয়না।এসআর

    শ্রীপুরে সন্তানের চোখের সামনেই মাকে হত্যা, স্বামী পলাতক

    গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুই সন্তানকে রেখে অভিযুক্ত স্বামী পালিয়ে গেছেন। হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে উপজেলার গড়গরিয়া মাস্টারবাড়ী বেরাইদেরচালা এলাকার মজনুর বাড়ির একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত নাছিমা আক্তার (২৭) নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার খৈলাসপুর বনপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের মেয়ে। তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে শ্রীপুরের মাস্টারবাড়ী এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন।স্বজনদের ভাষ্য, প্রায় ১১ বছর আগে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার গিদাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাইদুল ইসলামের সঙ্গে নাছিমার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে সামিয়া (১০) ও সিজান (৪) নামে দুই সন্তান রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। প্রায় ছয় মাস আগে বিরোধের জেরে নাছিমা সন্তানদের নিয়ে শ্রীপুরে এসে পোশাক কারখানায় চাকরি শুরু করেন। পরে প্রায় এক মাস আগে সাইদুল ইসলামও স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে একই বাসায় এসে বসবাস শুরু করেন। তবে একসঙ্গে থাকলেও তাদের দাম্পত্য কলহের অবসান হয়নি।নিহতের ভাবি নার্গিস আক্তার জানান, গভীর রাতে কান্নার শব্দ শুনে তারা নাছিমাদের কক্ষে গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে দ্রুত শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত সাইদুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুর আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত সাইদুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।এসআর

    চাকরির পরীক্ষা দিতে গিয়ে নিখোঁজ, বাহুবলে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার দাশপাড়া এলাকায় সাটিয়াজুরী রেলওয়ে স্টেশনের পশ্চিম পাশ থেকে মোঃ মাহবুবে সরওয়ার রাজন (২৮) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ।রবিবার (১২ জুলাই) বিকেলে স্থানীয়দের দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত রাজন সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার গন্ধদত্ত গ্রামের মোঃ আবুল কালাম আজাদের ছেলে।খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন। পরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেয় পুলিশ।রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুন্সী হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যরা এসেছেন। তাদের আবেদনক্রমে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।চাকরির জন্য পরীক্ষা (ইন্টারভিউ) দিতে ঢাকা গিয়েছিলেন সিলেটের জকিগঞ্জের মাহবুব সরোয়ার রাজন (৩০)। পরীক্ষা শেষে শুক্রবার ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওয়ানা হন। কিন্তু আর বাড়ি ফেরা হয়নি রাজনের। রোববার হবিগঞ্জ বাহুবল থেকে তার তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।রাজন জকিগঞ্জ উপজেলার গন্ধগত্ত এলাকার বাসিন্দা। রোববার দিনে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ–সাটিয়াজুরি রেলস্টেশনের মধ্যবর্তী দাসপাড়া এলাকায় রেললাইনের পাশের ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ। এরপর রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রাজনের ছবি দেখে শনাক্ত করে তার পরিবার।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাহবুব সরোয়ার রাজন ঢাকা বিমানবন্দর এলাকা থেকে উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। এরপর থেকেই তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে শায়েস্তাগঞ্জ–সাটিয়াজুরি রেলপথের দাসপাড়া এলাকায় উদ্ধার হওয়া মরদেহটি তার বলে পরিবারের সদস্যরা শনাক্ত করেন।নিহতের বড় ভাই মাহবুব হাসান মুন্না রেলওয়ের কর্মচারী। তিনি জানান, রাজনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতাও নেওয়া হয়। নিহতের চাচা কামরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, রাজনের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে এখনোএসআর

    পিরোজপুরে জেলা প্রশাসকের অভিভাবকত্বে এতিম কন্যার বিয়ে

    পিরোজপুরে প্রথমবারের মতো সরকারি শিশু পরিবারে এক এতিম কন্যার বিয়ের আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তর।রোববার (১২ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সরকারি শিশু পরিবার ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশে এ বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় কনের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ। তিনি কনে সুহানি আক্তারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরের হাতে তুলে দেন এবং নবদম্পতির সুখী, সুন্দর ও সমৃদ্ধ দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।জানা যায়, পিতামাতাহীন সুহানি আক্তার ২০১৫ সালে সরকারি শিশু পরিবারে আশ্রয় পান। সেখানেই বেড়ে ওঠেন এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর পিরোজপুর সদর উপজেলার জুজখোলা গ্রামের রাকিব শেখের সঙ্গে এক লাখ এক টাকা দেনমোহরে তাঁর বিয়ে সম্পন্ন হয়।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম কিসমত, সমাজসেবা অধিদপ্তর পিরোজপুরের উপপরিচালক মো. ইকবাল করিম, সরকারি শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক শাবানা খানমসহ জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।এদিকে বিয়েকে ঘিরে সরকারি শিশু পরিবারে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সেখানে বসবাসরত এতিম ও দুস্থ শিশুরা তাদের সহপাঠীর নতুন জীবনের সূচনাকে ঘিরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে। হাসি, শুভেচ্ছা ও আবেগে মুখর হয়ে ওঠে পুরো শিশু পরিবার ক্যাম্পাস।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অভিভাবকহীন শিশুদের পাশে দাঁড়ানো শুধু সামাজিক দায়িত্ব নয়, একটি বড় মানবিক দায়িত্ব। জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে তারা স্বাগত জানান।

    কালিয়াকৈর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অব্যবস্থাপনা: বৃষ্টিতে ভিজল মূল্যবান নথি

    গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চরম অব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। টানা পাঁচ দিনের ভারী বৃষ্টিতে অফিস ভবনের ছাদ চুঁইয়ে পানি পড়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল, বালাম বই ও সরকারি নথিপত্র ভিজে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের ছাদের বিভিন্ন স্থানে ফাটল, খসে পড়া প্লাস্টার ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশের কারণে বৃষ্টির পানি অফিসের বিভিন্ন কক্ষে প্রবেশ করছে। দীর্ঘদিন ধরে মূল্যবান কাগজপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করে বিভিন্ন কক্ষের মেঝেতে স্তূপ করে রাখায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ। এ ছাড়া কয়েকটি দলিলের বান্ডিলে উইপোকার আক্রমণেরও তথ্য পাওয়া গেছে।বৃষ্টির পানিতে বহু দলিল, বালাম বই ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি ভিজে গেছে। কিছু নথির লেখা অস্পষ্ট হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কাগজপত্র রক্ষায় অফিসের কর্মচারীরা ফ্যানের বাতাস ও ইলেকট্রিক আয়রনের সাহায্যে সেগুলো শুকানোর চেষ্টা করছেন।কালিয়াকৈর উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মো. আজিজুর রহমান বলেন, “টানা বৃষ্টিতে বহু মূল্যবান দলিল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক দলিল এখনও বালাম বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এ ছাড়া কিছু নথির লেখা মুছে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, জরাজীর্ণ ভবনে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দলিল সংরক্ষণ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কালিয়াকৈরবাসীর স্বার্থে দ্রুত একটি আধুনিক ও নিরাপদ সাব-রেজিস্ট্রি ভবন নির্মাণ করা জরুরি।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মো. কামরুল হাসান বলেন, “টানা বৃষ্টির কারণে কিছু মূল্যবান দলিল ও বালাম বই ভিজে গেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত নথিপত্র সংরক্ষণের জন্য ফ্যানের বাতাস ও ইলেকট্রিক আয়রনের সাহায্যে সেগুলো শুকানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”পিএম

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…