Female-Avatar

বায়োডাটা নং : ODF-4733

পাত্রীর বায়োডাটা

ডিভোর্সড

November, 2004

৫′ ৫″

ফর্সা

৪৬ কেজি

B+

বাংলাদেশী

ঠিকানা

শেরপুর সদর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ
এলাকার নাম:   শেরপুর সদর, শেরপুর

ময়মনসিংহ সদর, ময়মনসিংহ, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ
এলাকার নাম:   ময়মনসিংহ সদর, ময়মনসিংহ

শেরপুর, ময়মনসিংহ। ২০১৭ থেকে ময়মনসিংহ থাকছি। তার আগে শেরপুর থাকতাম।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

জেনারেল

২০২১

বিজ্ঞান বিভাগ

A+ (All Subjects)

২০২৩

বিজ্ঞান বিভাগ

A

B.A in English Literature

Muminunnesa Govt. Mohila College

প্রথম বর্ষ

Iom তে আলিম প্রিপারেটরি কোর্স করছি, এই বছর আলিম কোর্স কমপ্লিট হবে ইনশাআল্লাহ।

পারিবারিক তথ্য

জী, জীবিত

অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি চাকরিজীবী। আশা এনজিও তে সিনিয়র রিজিওনাল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

জী, জীবিত

গৃহিণী

ভাই নেই

একজন বড় বোন আছেন, বিবাহিত। তিনি BDS এ পড়াশোনা করছেন।

মধ্যবিত্ত

শেরপুর শহরে আমাদের টিনশেড বিল্ডিং বাসা রয়েছে। বর্তমানে ময়মনসিংহ তে ভাড়া থাকি।

শেরপুর শহরে আমাদের জমি এবং বাসা রয়েছে। গ্রামে কিছু পরিমাণ জমি রয়েছে।

সবাই দ্বীনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আম্মু আব্বু নিয়মিত সালাত আদায় করেন, শালীনভাবে চলাফেরা করেন। তবে সম্পূর্ণরুপে প্র্যাক্টিসিং না। আমাকে দ্বীনে পালনে সবসময় সহযোগিতা করেন এবং উৎসাহিত করেন। আম্মু দ্বীনি পড়াশোনার জন্য iom এর সাথে কিছু সময় যুক্ত ছিলেন। বাড়িতে পরিপূর্ণ পর্দার পরিবেশ আছে।

ব্যক্তিগত তথ্য

কালো বোরকা, নিকাব, হাত মোজা, পা মোজা

২০২১ এর শুরু থেকে।

জ্বি আলহামদুলিল্লাহ নিয়মিত নামাজ পড়া হয়, আনুমানিক 5 বছর যাবৎ

0-4 ওয়াক্ত। ফজর কাযা হয় কখনও কখনও, অন্যান্য ওয়াক্ত সাধারণত কাযা হয় না।

জ্বি আলহামদুলিল্লাহ। নন মাহরাম কোনো আত্মীয়ের সামনে যাই না সাধারণত। যদি কোনো কারণে যেতেই হয় কালো বোরকা, নিকাব, মোজা পরিধান করে যাই।

জ্বি আলহামদুলিল্লাহ পারি।

হানাফি

কখনও কখনও নাটক দেখি, গান শোনা হয় না।

না, নেই। তবে মাইনাস পাওয়ারের চশমা পরতে হয়।

না। আপাতত শুধু দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করছি। ভবিষ্যতে কিছু করার অনেক ইচ্ছা আছে।

মাজারে অনেক বিদআতী ও শিরকী কাজ হয়, মাজারে কখনও যাই নি।

সিরাহ (raindrops media), রউফুর রহিম(ড. আলী সাল্লাবী), যেমন ছিলেন তিনি, শামায়েলে তিরমিযী, রসূলের(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চোখে দুনিয়া,সাহাবীদের চোখে দুনিয়া, জীবন ও কর্ম উমর ইবনুল খাত্তাব (ড. আলী সাল্লাবী), সংযত জবান সংহত জীবন, মাইলস্টোন(সাইয়েদ কুতুব শহীদ), প্রাচীর, কাশগড় কতো না অশ্রুজল ,তাফসীর ইবনে কাসীর, আমিও কাবার মুসাফির, আদাবুল মুরফাদ, ফেরা এবং ফেরা 2, ভারতীয় নওমুসলিমদের ঈমানদীপ্ত সাক্ষাৎকার, চিন্তাপরাধ, সংশয়বাদী, রিক্লেইম ইউর হার্ট, কয়েদী ৩৪৫

শাইখ আহমাদুল্লাহ, মুফতি জুবাইর আহমেদ(iom), শায়েখ আবদুল্লাহ আজ্জাম, মাওলানা কালিম সিদ্দিকী

আমি ঘরকেন্দ্রিক জীবন পছন্দ করি। ক্লাসের সময়টুকু ছাড়া বাকি সময়টা বাড়িতে থাকতেই ভালো লাগে। রান্নাবান্না, ঘরের কাজ করতে ভালো লাগে। ঘরের কাজের প্রতি আলাদা একটা আবেগ কাজ করে। তবে আমি মনে করি খাওয়া, ঘুম, রান্না, জেনারেল পড়াশোনা এগুলো জীবনের জরুরত। জীবনের মূল মাকসাদ না। আমি চাই ঘর-সংসার ও দায়িত্বের পাশাপাশি যেন ঠিকভাবে ইলম অর্জন ও আমল করতে পারি, নিজেকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারি এবং ভবিষ্যৎ সন্তানদেরও দ্বীনের উপর সুন্দরভাবে বড় করতে পারি, দ্বীনের খিদমত করতে পারি, উম্মাহর জন্য কোনো অবদান রাখতে পারি। পরিবারের মানুষদের সাথে মিলেমিশে থাকতে ভালো লাগে। চেষ্টা করি যেনো আমার কোনো কথায় বা কাজে কেউ কষ্ট না পায়। কারো উপর রাগ, জেদ ধরে রাখি না। ঝগড়া- ঝামেলা, রাগারাগি এসব ভালো লাগে না। আমার মনে হয় রাগ জেদ, বিরক্তি ধরে না রাখলে জীবনটা সহজ হয়ে যায়। অন্যের দোষ খোঁজা পছন্দ না। নিজের মধ্যে থাকা দোষগুলি খুঁজে বের করে পরিবর্তন করার চেষ্টা করি। করো প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ রাখি না। কারো সাথে দুনিয়াবি বিষয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা পছন্দ না, নিজের যা আছে তাই নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে চাই। জীবনের অনেকটা সময় গাফিলতির মধ্যে কেটে গিয়েছে, দ্বীনের বুঝ ছিলো না, নিয়মিত সালাত আদায় করতাম না। আল্লাহুম্মাগফিরলি। তবে দ্বীনের বুঝ পাওয়ার আগেও আল্লাহ্ তায়ালা তার অশেষ রহমতে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি আসক্তি,  ছেলেদের সাথে কথা বলা, হারাম রিলেশনশিপ, সব রকমের উশৃঙ্খলতা থেকে হিফাযত করেছেন। বাইরে গিয়ে বেশি কথা বলা, স্কুল-কলেজে হইচই করা আমার কখনও পছন্দ ছিলো না। বাইরে সবসময় চুপচাপ স্বভাবের ছিলাম, মা-বাবার কথা মেনে চলার চেষ্টা করতাম। ইসলামের যেসব বিধান জানতাম সেগুলোকে সম্মান করতাম।  কিন্তু পরিপূর্ণ বুঝ ছিল না। ক্লাস নাইনের(২০১৯সাল) দিক থেকে  দ্বীন সম্পর্কে  ভালোভাবে জানতে শুরু করি। ক্লাস টেন থেকে আমার রব আমাকে পরিপূর্ণ পর্দা করার সৌভাগ্য দান করেন আলহামদুলিল্লাহ। জীবনের অনেক মূল্যবান সময় অবহেলায় কাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই আল্লাহ্ তায়ালার কাছে এখন নিজের জীবনকে অর্থপূর্ণ কাজে ব্যয় করার তৌফিক চাই । উম্মাহর বর্তমান অবস্থা আমাকে অনেক ভাবায়। উম্মাহর ইতিহাস ও বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। আল্লাহ্ তায়ালা যদি কবুল করেন তাহলে উম্মাহ এর উপকারে আসে এমন কিছু করার অনেক ইচ্ছা আছে। অবসর সময়টা সুন্দরভাবে ব্যয় করা আমার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়। অবসর সময়ে তালিম শুনি এবং ইসলামিক আলোচনা শুনি, দরকারী বিভিন্ন বিষয়ে জানার চেষ্টা করি, কুরআন তিলাওয়াত করি এবং শুনি, কুরআনের অর্থ পড়ি। এছাড়া মাদ্রাসার পড়ার জন্য, ক্লাসের জন্য নিয়মিত সময় দিতে হয়। ঘরের কাজের মধ্যে রান্নাবান্না, নাস্তা তৈরি, ঘর গোছানো, পরিচ্ছন্ন রাখা সবই পারি আলহামদুলিল্লাহ। সেলাই করতে খুব পছন্দ করি। বই পড়া আমার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ, দ্বীনি বই আর বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বিষয়ক বই পড়া হয়, ফিকশন সাধারণত পড়ি না। বই থেকে গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো টুকে রাখি, যেন মাথায় রাখতে পারি এবং আমলে পরিণত করতে পারি। মাঝে মাঝে মুহাসাবা করি। মোবাইলে অপ্রয়োজনীয় কাজ করে সময় নষ্ট করার বিষয়টা আমার পছন্দ না। বিভিন্ন কোর্স, পড়াশোনা আর বিভিন্ন বিষয়ে জানার জন্য মোবাইল ব্যবহার করা হয়।

পেশাগত তথ্য

শিক্ষার্থী

শিক্ষার্থী, ময়মনসিংহের একটি মহিলা কলেজ অনার্সে অধ্যয়নরত। সহশিক্ষায় পড়াশোনা করতে চাই নি জন্য কোনো পাবলিক বা প্রাইভেট ভার্সিটি তে এডমিশনের জন্য চেষ্টা করিনি। যদিও আমাদের কলেজে পুরুষ টিচার আছে কিন্তু আমাদের সাধারণত টিচারদের সাথে কথা বলার প্রয়োজনে হয় না। আর বোরকা, নিকাব নিয়েও কোনো সমস্যা করা হয় না।

বিবাহ সম্পর্কিত তথ্য

পূর্বের বিয়ের তারিখ: ১০ মে, ২০২৪ সাড়ে তিন মাসের মতো সময় এক সাথে থাকা হয়েছে। ডিভোর্সের তারিখ: ২০ অক্টোবর, ২০২৫ তার দেওয়া অনুমতি সাপেক্ষে তাফয়ীজে তালাক গ্রহণ করি। সন্তান: নেই। ডিভোর্সের কারণ- আমার সাবেক স্বামী আমার সাথে প্রচণ্ড দুর্ব্যবহার করতেন, প্রতি মুহূর্তে কিছু না কিছু নিয়ে সমস্যা তৈরি করতেন। তিনি কেনো আমার সাথে এমন খারাপ ব্যবহার করতেন আমার পুরোপুরি জানা ছিলো না। তবে তিনি অনেক কঠিন স্বভাবের মানুষ ছিলো এবং তার মা-বাবার সাথেও তার সম্পর্ক ভালো ছিলো না। তিনি বিভিন্ন সময় তার এমন ব্যবহারের বিভিন্নরকম কারণ বলতেন - তিনি বিয়ে করতে চান নি, একা থাকতে চাইতেন।  তিনি বিয়ে করার পরপরই আমাকে বলেছিলেন তার আচরণ এমনই থাকবে, আমার ভালো না লাগলে আমি চাইলে চলে যেতে পারি, তার জীবনে স্ত্রীর কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি বলতেন তার জীবন থেকে স্ত্রী চলে গেলে বা মা-বাবা মারা গেলেও তার কিছু যায় আসে না। তার আচরণ, কথাবার্তা অবিশ্বাস্য শোনালেও সত্যিই তিনি অনেক কঠিন স্বভাবের মানুষ ছিলেন, মাঝে মাঝে আমার তাকে কিছুটা ভয়ও লাগতো। এছাড়া তাদের পরিবার, পরিচিতজনদের মধ্যেও স্ত্রীর সাথে খারাপ ব্যবহার, মারধর করা স্বাভাবিক আচরণ হিসেবে ধরা হতো, তাই তিনি যে মারধর করতেন না এটাকেই যথেষ্ট মনে করতেন, আর প্রায় তাদের উদাহরণ দিতেন যারা স্ত্রীদের অত্যাচার করে, প্রতারণা করে। তাদের মধ্যে অনেক সমস্যাজনক বিষয় ছিলো যা এখানে বিস্তারিত বলা ঠিক হবে কি না জানি না, তবে আগ্রহী পাত্র যদি  জানতে চান তাহলে জানানো হবে। আমি জানি মানুষের মধ্যে কিছু না কিছু সমস্যা থাকা স্বাভাবিক, সব সম্পর্কেই ঝামেলা হয় কিন্তু এটা যদি এমন ধরনের সমস্যা হতো যে আমার জায়গা থেকে কিছু করার মাধ্যমে কিছু ঠিক করা সম্ভব হতো বা সমস্যার সাথে মানিয়ে থাকার সুযোগ থাকতো, ভবিষ্যতে ইতিবাচক কোনো পরিবর্তন আসতে পারে এমন আশা করার সুযোগ থাকতো তাহলে আমি আমার চেষ্টাটুকু অবশ্যই করতাম। আমার পরিবার তার বাহ্যিক অবস্থা দেখে তার দ্বীনদারিতা সম্পর্কে, তার পরিবার সম্পর্কে অনেক ভালো ধারণা করেছিলেন। পাত্র নিজেও নিজের সম্পর্কে জুহদ অবলম্বনকারী, দৈনন্দিন কাজকর্ম সুন্নাহ অনুসারে করার চেষ্টা করেন এমনটাই বলেছিলেন। বিয়ের আগে আমার পরিবারের কাছে তিনি এমন কিছুই প্রকাশ করেন নি যে তিনি বিয়েতে আগ্রহী না।   আমি যত দিন ছিলাম তার প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করিনি, বিরক্তি প্রকাশ করিনি, তিনি খারাপ ব্যবহার করলে পাল্টা উত্তর করিনি। আমি আমার জায়গা থেকে ধীরস্থির অনুগত স্ত্রী হয়ে থাকার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোন ফল হওয়ার সম্ভাবনা দেখি নি। তালাকের ব্যাপারে ভালোভাবে ফতওয়া জেনে নিয়ে অনেক চিন্তাভাবনা করে প্রচুর পরিমাণ ইস্তিখারার পর তালাকের সিদ্ধান্তে আসি। আগস্ট, ২০২৪ এর শেষের দিকে আমি আমার প্রাক্তন শ্বশুরবাড়ি থেকে চলে আসি, এরপর আর তার সাথে যোগাযোগ হয় নি। এই সময়টা আমার জন্য কষ্টদায়ক ছিলো। একই সাথে আল্লাহ্ তায়ালার পক্ষ থেকে অনেক অনুগ্রহও ছিলো। আমি দৃঢ়ভাবে এটা বিশ্বাস করি আল্লাহ্ তায়ালা আমার প্রতি আমার নিজের থেকে, আমার মা-বাবার থেকেও অনেক বেশি কল্যাণকামী। তাই জীবনে তিনি আমাকে যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই নিয়ে যান না কেনো তার মধ্যে অবশ্যই কল্যাণ নিহিত আছে। আমি সচেতনভাবেই চেষ্টা করেছি যেনো একটা খারাপ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাওয়ার কারণে আমার অন্তর কঠিন হয়ে না যায়, আমার মধ্যে জীবন নিয়ে কোনো তিক্ততা তৈরি না হয়। আমি চেষ্টা করেছি আমার সাবেক স্বামীর প্রতিও কোনো রাগ ঘৃণা, বিরক্তি ধরে না রাখতে যেনো আমার পরবর্তী জীবনে এর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে। ইনশাআল্লাহ আমার দ্বারা কখনোই এমন হবে না যে আমি আমার প্রাক্তন স্বামীর সাথে পরবর্তী স্বামীর তুলনা করবো, আগের সংসারের সাথে পরবর্তী সংসারের তুলনা করবো। এই পুরো জার্নিতে আল্লাহ্ তায়ালার প্রতি সুধারণা, দোয়া, তাকদিরের প্রতি সন্তুষ্টি আমার জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। শুধু আল্লাহ্ তায়ালার প্রতি ভরসা থাকলে আমাদের খারাপ সময়গুলো হতাশার কারণ না হয়ে বরং আমাদের জীবনে সুন্দর শিক্ষা তৈরি করতে পারে, আরও ম্যাচিউর করতে পারে।   দুনিয়াবি জীবন একটা পরীক্ষা। আমার মনে হয় জীবনের পরীক্ষাগুলো মানুষ কীভাবে গ্রহণ করছে, তার উপর নির্ভর করে সে আরও সুন্দর মানুষে পরিণত হবে, নাকি নিজের ভেতরের কোমলতা ও সুন্দর দৃষ্টিভঙ্গিগুলো হারিয়ে ফেলবে। এখন আল্লাহ্ তায়ালার কাছে সবকিছু নিয়ে কৃতজ্ঞতা আদায় করি, আল্লাহ্ তায়ালা আমাকে আবার একটা স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে এনেছেন।

জ্বি।

জ্বি।

জ্বি। দ্বীনি পড়াশোনা এবং জেনারেল পড়াশোনা দুটোই চালিয়ে যেতে চাই।

বিয়ের মাধ্যমে একটা সুন্দর ইসলামিক পরিবার গঠন করতে চাই। এমন একটা পরিবার গঠন করতে চাই যেখানে একে অপরকে আল্লাহ্ তায়ালার জন্য ভালবাসবে।  যেখানে পরস্পরের মধ্যে দয়া-সহমর্মিতার চর্চা হবে, কুরআন–সুন্নাহয় উল্লেখিত সুন্দর আখলাকসমূহের চর্চা হবে। আর সন্তানরা নিজেদের যোগ্য, উন্নত আখলাকসম্পন্ন, উম্মাহ দরদী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার পরিবেশ পাবে। আমি চাইবো আমার সন্তানরা যেনো উম্মাহর বীর সন্তান হিসেবে গড়ে উঠে, যারা দ্বীনের জন্য কাজ করবে, মুসলিম উম্মাহর স্বার্থে নিজেদেরকে উৎসর্গ করে দেওয়ার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকবে। এমন একটি পরিবার গঠন করতে পারলে সেটাকে আমি আল্লাহ্ তায়ালার বিশেষ অনুগ্রহ মনে করবো। আমার মনে হয় শুধুমাত্র নিজের প্রয়োজনে বিয়েটা করে ফেললাম এমনটা বিয়ের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত না। একটা বৈবাহিক জীবনকে সুন্দর করার জন্য, সুন্দর পরিবার গঠনের জন্য স্বামী স্ত্রী উভয়েরই চেষ্টা করা উচিত। আর পরিবার ইসলামিক সমাজব্যবস্থার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট। আমরা যদি পরিবারগুলো সুন্দরভাবে গঠন করতে পারতাম তাহলে তা থেকে ব্যাক্তি, সমাজ, উম্মাহ সবাই উপকৃত হতো। আমি একটা বৈবাহিক জীবনে যে বিষয়গুলো থাকা বেশি জরুরি মনে করি: সততা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ,  একজন অন্যজনের কল্যাণ চাওয়া। ভালো, খারাপ সবরকম মুহূর্তে পাশে থাকা, ভালো কাজের ক্ষেত্রে উৎসাহ দেওয়া। জীবনসঙ্গীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক মনোভাব না রাখা।একজন আরেক জনের জন্য শান্তি, ভরসা, নিরাপত্তার জায়গা হয়ে উঠতে পারা। জীবনের সমস্যাগুলো একসাথে সমাধান করার চেষ্টা করা।

প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গী

23-28

কালো, শ্যামলা, উজ্জল শ্যামলা, ফর্সা, উজ্জল ফর্সা

ন্যূনতম ৫'৪"

অনার্স কমপ্লিট অথবা চলমান। সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড হলে ভালো হয়।

স্থায়ী ঠিকানা ময়মনসিংহ বিভাগের যে কোনো জেলা হতে পারে। বর্তমান ঠিকানা ময়মনসিংহ সদর অথবা ময়মনসিংহ সেটেল হতে ইচ্ছুক এমন হতে হবে। বেশি দূরে হলে আগ্রহী নই। প্রবাসী বা দেশের বাইরে সেটেল হতে আগ্রহী এমন হওয়া যাবে না।

অবিবাহিত

সম্মানজনক হালাল পেশা। সরকারী চাকুরী, বেসরকারি চাকুরী, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, লেকচারার, ডাক্তার। (উকালতি, পুলিশ বা সেনাবাহিনীর চাকুরী, ব্যাংকের চাকুরী এ ধরণের পেশার ক্ষেত্রে আগ্রহী নই)

মধ্যবিত্ত

1. কুরআন সুন্নাহর স্পষ্ট নির্দেশনার উপর নিজের কোনো যুক্তিকে প্রাধান্য দেন না। নিজের কোনো চিন্তা বা কাজ ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক হলে তা পরিবর্তন করার মানসিকতা রাখেন। 2. জীবনসঙ্গী হিসেবে আল্লাহ্ তায়ালার কাছে এমন কাউকে চাই যিনি হবেন নরম মনের অধিকারী, পরিবারের মানুষদের প্রতি সহানুভূতিশীল, সবার সাথে সুন্দর ব্যবহার করেন, বান্দার হকের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তায়ালা কে ভয় করে চলেন। যিনি অহংকারী হবেন না। নিজেকে বড় মনে করা, অন্যকে তাচ্ছিল্য করা, ছোটো করে কথা বলা, ঠাট্টা বিদ্রুপ করা, খোটা দেওয়া, কষ্ট দেওয়ার অভ্যাস নেই। যার মধ্যে কঠোরতা নেই, কর্কশভাষী নন, কখনও কাউকে গালিগালাজ করেন না, কখনও অশালীন শব্দ ব্যবহার করেন না। অন্যের সমালোচনা, ভুল ধরায় ব্যস্ত থাকেন না । অন্যের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ রাখেন না। যথাসম্ভব গীবত না করার চেষ্টা করেন। 3. মা বাবার সাথে খারাপ ব্যাবহার করেন না। পরিবারে সদস্যদের সাথে নম্র ব্যবহার করেন। পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধসম্পন্ন।নিজের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং স্ত্রীর পরিবারকেও শ্রদ্ধা করবেন। পরিবার যার কাছে যথেষ্ট গুরুত্ব রাখে। 5. সকল প্রকার অপসংস্কৃতি, কুসংস্কার, বিদআত, বিজাতীয় সংস্কৃতি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করেন। পাশ্চাত্য চিন্তাধারা দ্বারা প্রভাবিত নন। গণতন্ত্র, জাতিয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী নন। নারীবাদ এবং নারীবিদ্বেষ দুটো থেকেই মুক্ত। 6. উম্মাহ দরদী। 7. অনলাইনে বা অফলাইন এ প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের সাথে যুক্ত আছেন বা যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা আছে, দ্বীনি বই পড়ার অভ্যাস আছে এমন। দাওয়াতি মেজাজ লালন করেন এমন। 8.দান সদকা করার মনমানসিকতা আছে। 9. মিথ্যা বলার অভ্যাস নেই। 10. ভদ্র, লজ্জাশীল, নজরের হেফাজত করেন। অনলাইন অফলাইন দুই জায়গায়ই মাহরাম নন-মাহরাম মেনটেইন করে চলেন। বিনা প্রয়োজনে নন মাহরাম নারীদের সাথে কথা বলেন না। 11. আমি ঠান্ডা মেজাজের মানুষ আর আশা করি আমার স্বামীও ঠান্ডা মেজাজের হবেন, রাগী হবেন না। রেগে গেলে জিনিসপত্র ভাংচুর, জিনিসপত্র ছুঁড়ে মারা, গালিগালাজ করা এই ধরণের বৈশিষ্ট্য একেবারেই থাকা যাবে না। 12. আমাকে পরিপূর্ণ পর্দার পরিবেশ দিতে পারবেন এমন। আমাদের বাড়িতে কোন নন মাহরাম আত্মীয় আসলে আমি সাধারণত সামনে যাই না, যদি যেতে হয় তবে বাইরের মতো কালো বোরকা, নিকাব এবং মোজা পরিধান করে যাই; বিয়ের পর স্বামীর বাড়ির পুরুষ আত্মীয়দের সাথেও কঠোর পর্দা মেইনটেইন করতে পারবো এমন পরিবেশ আশা করি। 13. আমাকে দ্বীনি পড়াশোনা করার, দ্বীনের জন্য কাজ করার সুযোগ দেবেন। আমাকে আমার পরিবারের নিয়মিত খোঁজখবর রাখার, তাদের পাশে থাকার সুযোগ দেবেন। 14. জীবনের কঠিন সময়গুলোকে দুনিয়াবি জীবনের পরীক্ষা মনে করে ধৈর্য্য ধরার চেষ্টা করেন; জীবনের সমস্যার কারণে আল্লাহ্ তায়ালার প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন না এমন কেউ। 15. রাজনীতির সাথে যুক্ত এমন পাত্র চাচ্ছি না। জীবনসঙ্গী হিসেবে পারফেক্ট কাউকে আশা করছি না, তবে এমন কাউকে আশা করি যিনি  প্রতিনিয়ত আত্মউন্নয়নের চেষ্টায় নিয়োজিত আছেন, নিজের মধ্যে থাকা ভুলগুলো সংশোধনের চেষ্টা করেন। পাত্রের আখলাক, দ্বীনদারিতা আর চরিত্রই আমার কাছে মুখ্য বিষয়।

অঙ্গীকারনামা

হ্যাঁ

হ্যাঁ

হ্যাঁ

যোগাযোগ

সতর্কতা - বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়ার পূর্বে স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে বায়োডাটার সমস্ত তথ্য যাচাই করবেন।

এই বায়োডাটার অভিভাবকের যোগাযোগের তথ্য দেখতে আপনার ১টি কানেকশন খরচ হবে।