শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৭ আপডেট:

তারেক ক্ষমতায় এলে রক্ত গঙ্গায় ভাসাবেন?

পীর হাবিবুর রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
তারেক ক্ষমতায় এলে রক্ত গঙ্গায় ভাসাবেন?

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মানুষের মনের ভাষাই বলে ফেলেছেন। সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের বিশ্বনন্দিত ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়া উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তা আমাদের হৃদয় স্পর্শ করেছে।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা যারা রাজনীতি করি তাদের মধ্যে কয়জন বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন আমি সৎ,  আমি শতভাগ সৎ মানুষ— এখানেই সমস্যা। আমরা রাজনীতিকরা যদি দুর্নীতিমুক্ত থাকি তবে দেশের দুর্নীতি স্বাভাবিকভাবেই অর্ধেক কমে যাবে। সততার দৃষ্টান্ত বঙ্গবন্ধুর কথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তিনি শিখিয়েছেন সততার আদর্শ, সততা বড় সম্পদ। একজন রাজনীতিবিদের জীবনে মানুষের ভালোবাসার চেয়ে বড় আর কিছু নেই। আর মানুষের ভালোবাসা পেতে হলে সৎ হতে হবে, মানুষকে ভালোবাসতে হবে, মানুষের কাছে থাকতে হবে, মাটির কাছে থাকতে হবে— এ শিক্ষা বঙ্গবন্ধু রাজনীতিকদের দিয়ে গেছেন।’

এখনো এই জাতির রাজনীতিতে আদর্শের মডেল হিসেবে জাতির মহত্তম নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী, কৃষকের বন্ধু শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক ও গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী উজ্জ্বল ভাবমূর্তি নিয়ে আছেন। আপাদমস্তদ সৎ, নির্লোভ নিরাবরণ সাদামাটা জীবন নিয়ে প্রখর ব্যক্তিত্ব, অমিত সাহসী কর্মী ও মানুষের প্রতি অগাধ প্রেম, দেশপ্রেমের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে লক্ষ্য অর্জনে অবিচল ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

কঠিন পরিস্থিতির মুখে অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতায় সাধকের মতো আওয়ামী লীগ নামের দলটিকে তিনি আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তায় তুলে আনেননি, বাঘা বাঘা নেতাদের ভিতর দিয়ে নিজেকেই মানুষের গভীর আস্থা, বিশ্বাস ও হৃদয় নিঃসৃত ভালোবাসা অর্জনের মধ্য দিয়ে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। জীবনের ১৪টি বছর জেল খেটেছেন, দুবার ফাঁসির মঞ্চে গেছেন কিন্তু গণতন্ত্রের পথ থেকে সরে দাঁড়াননি। তার জীবন ও রাজনীতি যুগে যুগে গবেষণার বিষয়। দলের মধ্যেও নানা মত পথ ছিল সবাইকে নিয়েই তিনি পথ হেঁটেছেন। ’৭০-এর নির্বাচনে গণরায়ে অভিষিক্ত হয়ে একক নেতৃত্ব অর্জন করে পূর্ববাংলায় তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মহাত্মা গান্ধীর শান্তির পথ ও নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর সশস্ত্র বিপ্লবের দরজা দুটোই খুলে গিয়েছিল। গোটা জাতিকে এক মোহনায় মিলিত করে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। তার ডাকেই একটি জাতি তার নামে মুক্তিযুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল। বহু রক্তের বিনিময়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল। সেই থেকে বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধু ইতিহাসে সমার্থক শব্দ হয়ে আছে। বঙ্গবন্ধুর বিশাল হৃদয় তাকে উদার গণতন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত করেছিল। রাজনীতিতে নানা মত পথের নেতাদের সঙ্গে সৌহার্দ্যের অনন্য নজির স্থাপন করে গেছেন। জাতির জনক হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পরেও ভোগবাদী পথ তাকে টানতে পারেনি। তার রাজনীতিতে শুভাকাঙ্ক্ষীরা যে আর্থিক সহযোগিতা দিতেন সেই টাকা কখনই ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেনি। কর্মী, মানুষ ও দলের জন্যই বিলিয়ে দিয়েছেন। সন্তানদের বিদেশে লেখাপড়া যেমন করাননি, তেমনি ভোগবিলাসের পথও দেখাননি। পরিবার দুর্ভোগ সয়েছে, তিনি দেশ ও মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন।

ষাটের ছাত্ররাজনীতির ভিতর দিয়ে অনেক তারকা নেতা আবির্ভূত হয়েছিলেন। অনেকে বঙ্গবন্ধুর স্নেহ ছায়ায় বেড়ে উঠেছেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন লালন-পালন করে নিজেদের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা করতে সফল হননি। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, মহাকাব্যের যুগ অতীত হয়ে গিয়াছে। বঙ্গবন্ধু, ভাসানী ও শেরেবাংলার সময় থেকে দীর্ঘদিন এদেশের রাজনীতিতে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত কোনো রাজনীতিবিদ প্রশ্নবিদ্ধ হননি। বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে কয়েকশ টাকার দুর্নীতি মামলা দিয়েছিল পাকিস্তানি শাসকরা! আদালতে দাঁড়িয়ে সোহরাওয়ার্দী বলেছিলেন, মুজিব যদি করাপ্ট হয় পৃথিবীর সবাই করাপ্ট। আজকে কোনো বড় ব্যারিস্টার বা আইনজীবী এভাবে বুকের জোরে কারও জন্য কথা বলতে পারবেন না, পারছেনও না। রাজনীতিকে নষ্ট করার জন্য রাজনীতিবিদদের চরিত্র হননের জন্য আমাদের গণতন্ত্রের নেতারা এক সময় সামরিক শাসকদের দায়ী করেছেন। জনগণ আন্দোলন-সংগ্রাম ও বুকের রক্ত দিয়ে গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছিল। গণতন্ত্রের ২৬ বছরে রাজনীতির যে চিত্র দিনে দিনে উদ্ভাসিত হয়েছে মানুষের সামনে সেখান থেকে মানুষের শ্রদ্ধা-ভালোবাসা ও আস্থা-বিশ্বাসের জায়গা থেকে রাজনীতিবিদরা কেন বিচ্যুত হয়েছেন, সেই প্রশ্ন খুঁজতে রাজনীতিবিদদেরই আয়নার সামনে দাঁড়াতে হবে। সব রাজনীতিবিদই যে অসৎ, বিতর্কিত তা বলব না।

এক সময় যত দূর চোখ যেত কী আওয়ামী লীগ, কি ন্যাপ কী কমিউনিস্ট পার্টি কি মুসলিম লীগ শুধু সৎ রাজনীতিবিদই চোখে পড়ত। এমনকি বিএনপি জাতীয় পার্টিতেও অনেক সৎ রাজনীতিবিদ ছিলেন। কিন্তু সামগ্রিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ে রাজনীতি দিনে দিনে পেশিশক্তি, অর্থশক্তি ও অন্ধ আনুগত্যের ওপর গড়িয়ে রাজনীতবিদদের প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। রাজনীতিবিদরা দেশ ও সমাজের নেতৃত্ব দেন, তারাই চালিকাশক্তি। তারা সৎ, নির্লোভ পথ নিলে সমাজ সেখানে উল্টোপথে হাঁটার ক্ষমতা রাখে না। রাজনীতিবিদদের পাশে দুর্নীতিগ্রস্ত, মধ্যসত্তাভোগী দালাল, তদবিরবাজ ও লুটেরা দখলবাজরা পথ হাঁটে কী করে? কীভাবে রাজনীতিবিদরা পাশে নিয়ে হাঁটেন শেয়ারবাজার ব্যাংক লুটেরাদের? এক সময় রাজনীতিবিদরা নির্বাচন করতে গিয়ে জায়গা জমি বিক্রি করতেন। একালে কীভাবে এমপি-মন্ত্রী হওয়ায় গোটা পরিবার-পরিজনসহ অগাধ বিত্তবৈভব গড়েন? ভোগবিলাসের জীবনযাপন করেন।

এক সময় রাজনীতিবিদদের পাশে মতলববাজ, দুর্নীতিগ্রস্ত সুযোগ সন্ধানীরা আশ্রয়-প্রশ্রয় দূরে থাক ভিড়তেই পারতেন না। একালে রাজনীতিবিদদের বউ, সন্তান, ভাই, শ্যালক, ভাতিজাসহ সিন্ডিকেটের নাম মানুষের মাঝে ভেসে বেড়ায়। রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধু, ভাসানী, শেরেবাংলা ও সোহরাওয়ার্দীর উত্তরাধিকার বহন করা, তাদের জীবন দর্শন অনুশীলন করার মতো রাজনীতিবিদ চোখে পড়ে না। এমনকি গরিবের মুক্তি লড়াইয়ে আজীবন পথ হাঁটা ন্যাপ সভাপতি অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ, পীর হবিবুর রহমান, কমরেড মণি সিংহ, অমল সেনদের মতো আদর্শিক রাজনীতিবিদের দর্শন বামপন্থিদের মধ্যে দেখা যায় না। আদর্শিক পথে আত্মসমালোচনা, আত্মসংযম, আত্মশুদ্ধির পথ না নিলে, গণতন্ত্রের চর্চা না বাড়ালে, সৎকর্মীদের উঠে আসার সুযোগ না দিলে রাজনীতিবিদদের হারিয়ে যাওয়া মর্যাদা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।

ওবায়দুল কাদের যে কথা বলেছেন সেটি মানুষের দীর্ঘদিনের ক্রন্দন। কেবল কি দুর্নীতির জন্য রাজনীতিবিদরা দায়ী, তা নয়। এদেশের তারুণ্যের শক্তি ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধিকার, স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধে ও গণতন্ত্রের সংগ্রামে জীবন দিয়েছে, সব পরিবর্তনে নেতৃত্ব দিয়েছে। সেই তারুণ্যের উৎসস্থল, প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ছাত্রসংসদের নির্বাচন ও ছাত্র সংগঠনগুলো নিয়মিত সম্মেলন এবং ক্যাম্পাসভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি জাতীয় ও স্থানীয় রাজনীতিতে সৃজনশীল, মেধাবী, গণমুখী রাজনীতিবিদ জন্ম দিয়েছে। রাজনীতি এখন বন্ধ্যা নদীর মতো। ২৭ বছর ধরে ছাত্রসংসদ নির্বাচন নিষিদ্ধ হয়ে আছে।

রাজনীতিতে রক্ত সঞ্চালন বন্ধ থাকায়, গৌরবময় ছাত্ররাজনীতির ঐতিহ্য মুখ থুবড়ে পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে প্রতিবছর ছাত্রসংসদের উদ্যোগে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের যে উৎসব হতো সেটি বন্ধ হয়ে গেছে। শিক্ষক সমিতির নির্বাচন হয়, শিক্ষকদের মারামারি হয়, শ্রমিকদের নির্বাচন হয়, হয় না কেবল ছাত্রদের নির্বাচন। সিনেটে প্রতিনিধি থাকে না তবুও সিনেট নির্বাচন হয়। যখন যে দল ক্ষমতায় তাদের সমর্থক ছাত্র সংগঠন শিক্ষাঙ্গনে একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে ও ছাত্ররা সেখানে দাপটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সংঘাত, চাঁদাবাজি, ঠিকাদারি, দখলবাজিতে নাম লিখিয়ে ছাত্ররাজনীতিকে বিতর্কিত করে, বদনাম হয় যখন যারা ক্ষমতায় তাদের।

এই ছাত্রসংসদ নির্বাচন না হওয়ার দায় সব রাজনৈতিক শক্তির। স্বাধীনতার ৪৬ বছর চলে যাচ্ছে আমরা কার্যকর সংসদ, সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকতা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থা এবং সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে পারিনি। সংবিধান ও আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন, এটি কার্যকর করা যায়নি। এ দায় সব রাজনীতিবিদের। রাজনীতিবিদরা রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন সাফল্যের কৃতিত্ব যেমন তাদের, ব্যর্থতার দায়ও তাদের। দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যায় কেমন করে? ডক্টর ফরাস উদ্দিন তথ্য দিয়ে আহাজারি করেন, রাজনীতিবিদরা জবাব দিতে পারেন না।

বাংলাদেশ প্রতিদিনে আগের লেখায় লিখেছিলাম লন্ডনে নির্বাসিত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ‘বিএনপির বোঝা নাকি আওয়ামী লীগের শত্রু?’। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এক সময় হাওয়া ভবনের মুখপাত্র হিসেবে যিনি অগাধ ক্ষমতা ভোগ করে বিত্তবৈভবের মালিক হয়েছিলেন, ১/১১ বিদেশে পালিয়ে গিয়েছিলেন, তিনি সেখান থেকে তাদের অপপ্রচার সেলে আমার বিরুদ্ধে অশালীন ভাষায় আক্রোশ নিয়ে যা তা লিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছিলেন। ক্ষমতাসীন বিএনপির সেসব পলাতক সুবিধাভোগীকে আমি তারেকের প্রভুভক্ত কুকুরের ঘেউ ঘেউ বলেছিলাম। বিএনপির লাখো কর্মীকে বলিনি। যারা বিএনপিকে ডুবিয়েছে বিপদের সময় বিদেশে পালিয়ে সুখের জীবনযাপন করছে, ভোগবিলাসে ভাসছে তাদেরই তারেকের প্রভুভক্ত কুকুর বলেছি। খালেদা জিয়াকে যেমন আমি গণতন্ত্রের নেত্রী মনে করি বিএনপিকেও একটি জনপ্রিয় গণতান্ত্রিক দল ভাবি। তারেক রহমান লন্ডনে বসে নির্জালা মিথ্যাচার করেন। যা রাষ্ট্রের জন্মের ইতিহাস পরিপন্থী। সেখান থেকে হঠকারী সিদ্ধান্ত দেন আর দেশের হাজার হাজার বিএনপি নেতা-কর্মী জেল খাটেন, মামলার পর মামলায় পতিত হন। অবর্ণনীয় নির্যাতন ও দুর্ভোগ সহ্য করেন।

তারেক রহমান প্রকৃত রাজনীতিবিদ হলে আত্মসমালোচনা, আত্মশুদ্ধি, আত্মসংযমের পথ নিতেন। বিএনপির হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে বিপদে ফেলে লন্ডনে আয়েশের জীবন কাটাতেন না। উপলব্ধি করতেন বিএনপিতে এখনো খালেদা জিয়াই খালেদা জিয়ার বিকল্প। প্রকৃত রাজনীতিবিদ হলে কর্মীদের হৃদয় দিয়ে ভালোবাসলে পলাতক নির্বাসিত জীবন না নিয়ে দেশে ফিরে নির্যাতিত কর্মীদের পাশে দাঁড়াতেন। প্রয়োজনে জেল খাটতেন, আইনি লড়াইয়ে মুখোমুখি হতেন যেমনটি বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের হাজার হাজার নেতা-কর্মী করছেন। অন্যায় বা পাপ না করে থাকলে ভয় কেন আমি বুঝতে পারি না। তার সঙ্গে বিদেশে পলাতক একদল সুবিধাভোগী এতটাই ঘেউ ঘেউ করছে যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের প্রতিহিংসার হিংস্র রূপ তুলে ধরেছে। অশ্লীল অসভ্য ভাষায় আমাকে গালাগালি তো করছেই এমনকি আমার পরিবারকে হত্যার হুমকিই শুধু দিচ্ছে না, আমার ১৩ বছরের মেয়েটিকেও ধর্ষণের হুমকি দিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও আমার ইনবক্সে এদের দানবীয় রূপ দেখে আমিও চিন্তিত। অনেকে বলেন, বিএনপিকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যায় না, বিএনপি ক্ষমতায় এলেই তারেক রহমানের থাবায় সবকিছু উড়ে যাবে। তাদের সঙ্গী জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিশোধের আগুন জ্বালাবেন, দেশে রক্ত গঙ্গা বইয়ে দেবেন। যারা শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের গ্রেনেডে উড়িয়ে দিতে চেয়েছেন তাদের আক্রোশের মুখে আমাদের মতো ক্ষমতাহীন সাধারণ সমালোচকরা এমন আর কী!  কোনো সরকার থেকে পেশাগত জীবনে কোনো সুবিধা নেইনি কিন্তু বিশ্বাস করি বঙ্গবন্ধুই আমার নেতা।

মানুষই আমার দল।  একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রই আমার স্বপ্ন।  প্রভুভক্ত সুবিধাভোগী পলাতক কুকুররা যত ঘেউ ঘেউ করুক মনে রাখতে হবে এই দেশ আমার, দানবের কাছে মানবের মাথা নত হবে না।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্প
ভূমিকম্প
যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার
মতভেদ ও শিষ্টাচার
মতভেদ ও শিষ্টাচার
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
গ্যাসসংকট
গ্যাসসংকট
পবিত্র আশুরা
পবিত্র আশুরা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
জলবায়ু ঝুঁকি
জলবায়ু ঝুঁকি
সাংবাদিককে মারধর
সাংবাদিককে মারধর
সর্বশেষ খবর
চকরিয়ায় মাইক্রোবাস-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, নিহত ২
চকরিয়ায় মাইক্রোবাস-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, নিহত ২

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যাওয়া গরু উদ্ধার
গাইবান্ধায় সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যাওয়া গরু উদ্ধার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রামপুরা হত্যাকাণ্ডের রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে : চিফ প্রসিকিউটর
রামপুরা হত্যাকাণ্ডের রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে : চিফ প্রসিকিউটর

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

নড়াইলে ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু
নড়াইলে ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়ালকে কেন জামিন নয়, জানতে হাইকোর্টের রুল
সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়ালকে কেন জামিন নয়, জানতে হাইকোর্টের রুল

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

কলাপাড়ায় খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণ, রক্ষা পেল গোলগাছের বাগান
কলাপাড়ায় খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণ, রক্ষা পেল গোলগাছের বাগান

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার জেরে আলোচনার আহ্বান পাকিস্তানের
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার জেরে আলোচনার আহ্বান পাকিস্তানের

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি আগামী ৩০ দিন ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে: আরাঘচি
হরমুজ প্রণালি আগামী ৩০ দিন ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে: আরাঘচি

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে চারজনের মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে চারজনের মৃত্যু

২৭ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

রাজশাহীতে স্কুলশিক্ষক বাবা হত্যার ঘটনায় ছেলে গ্রেপ্তার
রাজশাহীতে স্কুলশিক্ষক বাবা হত্যার ঘটনায় ছেলে গ্রেপ্তার

৩০ মিনিট আগে | নগর জীবন

আত্মহত্যায় প্ররোচনা: রংপুরে মেডিকেল শিক্ষার্থী একদিনের রিমান্ডে
আত্মহত্যায় প্ররোচনা: রংপুরে মেডিকেল শিক্ষার্থী একদিনের রিমান্ডে

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টানা তিন হারে বিদায়, তবু কেন হাসলেন উজবেক কোচ?
টানা তিন হারে বিদায়, তবু কেন হাসলেন উজবেক কোচ?

৩৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

৮ মাসের শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ, মা আটক
৮ মাসের শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ, মা আটক

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যার শঙ্কা
সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যার শঙ্কা

৪১ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

হরমুজ প্রণালীতে হস্তক্ষেপ করলে উত্তেজনা বাড়বে: আরাগচি
হরমুজ প্রণালীতে হস্তক্ষেপ করলে উত্তেজনা বাড়বে: আরাগচি

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

৪৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাজধানীতে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ৪
রাজধানীতে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ৪

৫৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ডেমরায় ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক
ডেমরায় ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক

৫৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

মুন্সীগঞ্জে চলছে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন, লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ২ লাখ
মুন্সীগঞ্জে চলছে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন, লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ২ লাখ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভেনেজুয়েলায় প্রায় সাত লাখ শিশুর মানবিক সহায়তা প্রয়োজন: ইউনিসেফ
ভেনেজুয়েলায় প্রায় সাত লাখ শিশুর মানবিক সহায়তা প্রয়োজন: ইউনিসেফ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ টাকা করার প্রস্তাব প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর
করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ টাকা করার প্রস্তাব প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেফতার ৫৯
রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেফতার ৫৯

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৯৮৮ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৯৮৮ মামলা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাজেট নিয়ে বিরোধীদলের সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না : সড়কমন্ত্রী
বাজেট নিয়ে বিরোধীদলের সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না : সড়কমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

গাইবান্ধায় অপহরণের তিন মাস পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, যুবক গ্রেফতার
গাইবান্ধায় অপহরণের তিন মাস পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খুলনায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন
খুলনায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে নতুন উদ্যোক্তা না আসাই আয় বৈষম্যের মূল কারণ : বাণিজ্যমন্ত্রী
দেশে নতুন উদ্যোক্তা না আসাই আয় বৈষম্যের মূল কারণ : বাণিজ্যমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মাদারীপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন
মাদারীপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই  চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা
ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা
'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি
এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া
পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প
হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০
বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা
ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল
বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!
ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?
আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের
মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা
স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

প্রিন্ট সর্বাধিক
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা

নগর জীবন

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক

দেশগ্রাম

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন