শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান নিখোঁজ হওয়ার
খবর প্রকাশের পর জামায়াতের আমির থেকে শুরু
করে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব
হয়েছিল। অনেকেই এ ঘটনাকে “গুম” আখ্যা দিয়ে
বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার চেষ্টা করেছে
এবং বিএনপির আমলে গুমের রাজনীতি ফিরে
এসেছে বলেও প্রচার করেছে।
কিন্তু প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশ জানিয়েছে,
জিসান অপহরণ বা গুমের শিকার হননি। পুলিশের
দাবি অনুযায়ী, এক নারীর সঙ্গে ব্যক্তিগত
সম্পর্কের জেরে সৃষ্ট জটিলতা এবং সম্ভাব্য আইনি
ও সামাজিক পরিস্থিতি এড়াতে তিনি নিজেই
আত্মগোপন করেছিলেন। এ বিষয়ে পুলিশ বেশ
কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্য ও উপাত্তও উপস্থাপন করেছে,
যা যাচাই করা সম্ভব।
এখানে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, এত স্পর্শকাতর
একটি বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক দল বা
দায়িত্বশীল ব্যক্তি সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বক্তব্য
দেওয়ার আগে ন্যূনতম যাচাই-বাছাই করেন কি
না?
বিশেষ করে এমন অভিযোগ, যা সহজেই
‘গুম’-এর মতো গুরুতর মানবাধিকার ইস্যু হিসেবে
প্রচারিত হতে পারে।