দৈনিক আমাদের সময় | Dainik Amader Shomoy

কান্নায় ভেঙে পড়লেন আনিসুল হক (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ মে ২০২১, ০২:৩১ পিএম
Image not found

আদালত প্রাঙ্গণে কান্নায় ভেঙে পড়েন আনিসুল হক

দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের রিমান্ড নামঞ্জুর করেছেন আদালত। তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার তার জামিন আবেদনের শুনানি হতে পারে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার পর রোজিনা ইসলামকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে নেওয়া হলে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন বিচারক।

এদিকে, সহকর্মী রোজিনা ইসলামের জামিন শুনানিতে অংশ নিতে আদালতে আসেন দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক এবং কিশোর আলোর সম্পাদক আনিসুল হক। আদালতের দেওয়া সিদ্ধান্তে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি এ বিশিষ্ট কবি-সাহিত্যিক। আদালত প্রাঙ্গণে বসে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তার কান্নার এ দৃশ্য প্রকাশ হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমরা আইন ও আদালতের উপর শ্রদ্ধাশীল। সবসময় আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পাওয়ার আস্থা রাখি। এখন আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে। এটা আইনের বিষয় নাকি, একই দিনে হয়। ফলে আমরা একদিন পরেই আমরা এ বিষয়ে শুনানির জন্য আবেদন করেছি। আমরা এখনো আশাবাদী।’

প্রথম আলোর পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হবে কিনা জানতে চাইলে আনিসুল হক বলেন, ‘আগে আমরা জামিনের জন্য আবেদন করে জামিনটা পাই। জামিন পাওয়া পর মামলা যদি করতে হয়, সেটা পরে করতে হবে। এখন করা যাবে না। কিন্তু আইনের বাইরে একজন নাগরিক হিসেবে, একজন সাংবাদিক, একজন লেখক, একজন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক হিসেবে আমি বলতে চাই এই যে রিমান্ডের আবেদনটা কেন করলো এটা তো নাও করতে পারতো। তাহলে তো আজ আমরা জামিন নিয়েই কথা বলতে পারতাম। আমার মনে হয় আমাদের স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে দেশের সব সাংবাদিক সমাজকে এক হতে হবে।’

উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক বলেন, ‘আপনার সবাই মিলে আওয়াজ তোলেন, এই মামলা আজকেই প্রত্যাহার করা হউক। ২০০ বছর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, একটা দেশের সংবাদপত্র থাকবে সরকার থাকবে না, একটা দেশে সরকার থাকবে সংবাদপত্র থাকবে না। এটার মধ্যে আমি সরকার থাকবে না সংবাদপত্র থাকবে সেটা চাই। আমরা সরকারের সহযোগী। আমরা যদি দুর্নীতির সংবাদ না তুলে ধরি, তাহলে সরকার কীভাবে বুঝবে যে দেশে দুর্নীতি হচ্ছে। কাজেই আমরা সরকারের উপকার করার চেষ্টা করছি এবং রোজিনা ইসলাম তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন।’

কিশোর আলোর সম্পাদক আরও বলেন, ‘আজকে আমি এজাহারে শুনলাম, তিনি দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারেন! একজন সাংবাদিক, নারী, মা, অসুস্থ নারী যে পরিস্থিতি মোকাবিলা করলেন তাকে কী দেশের মান উজ্জ্বল হলো? কাজেই ভাবমূর্তি কারা ক্ষুণ্ন করছে? আমি সরকার ও সরকারের উচ্চমহলকে বলবো, আমরা যদি দেশের বা সরকারের ভাবমূর্তি আসলেই উজ্জ্বল করতে চাই তাহলে এই মামলা নিঃশর্তভাবে এখনই প্রত্যাহার করে নেওয়া হউক। আর আইনের যে লড়াই এটা আমরা করে যাবো।’

একজন লেখক হিসেবে তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের একজন ভোটার হিসেবে বলছি সাংবাদিকতাকে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, স্বচ্ছতা, তথ্যে অবাধ প্রবাহ, প্রতিটি নাগরিকের অধিকার আছে তথ্য জানার। সেই অধিকার কায়েম করার জন্য সাংবাদিকদের উপর যদি জুলুম করা হয়; এটা সাংবাদিকতার জন্য ভালো না, এটা দেশ, সুশাসন ও সরকারের জন্য ভালো না। আমার মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার বইগুলোতে বারবার সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলে গেছেন। আমার মহান নেতা যে নিজেও একজন সাংবাদিক ছিলেন, এই নিয়ে প্রবন্ধ লিখেছেন তা পড়ে আমাদের মাথা উচু হয়েছে। সেই সাংবাদিকের উপর যে নির্যাতন, মামলা হয়েছে, ৬-৭ ঘণ্টা তাকে আটকে রাখা হয়েছে। তা হেনস্থা ছাড়া আর কিছুই না। আইনের বাইরে নাগরিক হিসেবে এটা আমাদের প্রতিবাদ করতে হবে।’

সম্পর্কিত

খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ মে ২০২৬, ০১:৩৫ পিএম
Image not found

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার খয়েরবাড়ী ইউনিয়নের খয়েরবাড়ী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলো- ওই এলাকার মুদি দোকানদার শাহিন আলমের মেয়ে সাবিহা (সাড়ে ৪) ও ছেলে সিয়াম (৩)।

স্থানীয়রা জানান, সকালে বাড়ির পাশে খেলতে যায় সাবিহা ও সিয়াম। এ সময় বালু উত্তোলনের কারণে সৃষ্টি হওয়া গভীর গর্তে পড়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর পরিবারের সদস্যরা গর্ত থেকে তাদের উদ্ধার করে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

চিকিৎসক ডা. আলিফ মো. নুরে আলম সায়েদী জানান, হাসপাতালে আনার আগেই দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরে বিষয়টি থানাকে জানানো হয়।

খয়েরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক বলেন, বাড়ির পাশের মাঠের উত্তরে বালু উত্তোলনের কারণে একটি গভীর গর্ত তৈরি হয়েছিল, যেখানে পানি জমে ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ছোট ছেলে সিয়াম প্রথমে সেখানে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে বড় বোন সাবিহাও পানিতে ডুবে যায়।

ফুলবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোছা. শাপলা বেগম জানান, অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চাঁদা না দেওয়ায় অটোচালককে হত্যা, মহাসড়কে বিক্ষোভ

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
২০ মে ২০২৬, ০১:১২ পিএম
Image not found

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ১০টাকা চাঁদা না দেওয়ায় চাঁদাবাজের হামলায় এক অটোচালক নিহত হয়েছেন। 

এ ঘটনায় আজ বুধবার ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী ও স্বজনরা। 

এদিন পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিচারের আশ্বাস দিলে মহাসড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। 

উপজেলার দড়িকান্দি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, নিহত অটোচালক মো. মমিন উপজেলার নাজিরপুর এলাকার আব্দুল হাকিমের ছেলে।

নিহতের স্বজনরা জানান, রোববার বিকেলে দড়িকান্দি বাসস্ট্যান্ডে অটো লাইনম্যান শাহিন অটোচালক মমিনের নিকট থেকে ১০টাকা চাঁদা নেওয়ার কিছুক্ষণ পর আবারও চাঁদা দাবি করা হয়। এ সময় অটোচালক তাকে পুনরায় চাঁদা না দেওয়ায় বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে শাহিনের হাতে থাকা লাঠি দিয়ে অটোচালকের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারত্মকভাবে আহত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এ সময় তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ বুধবার সকালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ঘটনার পর থেকেই চাঁদাবাজ শাহিন পলাতক রয়েছে।

এদিকে বুধবার সকাল ১০টার দিকে অটোচালকের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী। পরে সোনারগাঁও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম সারোয়ার বলেন, এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জড়িত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

জেলার খবর
word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word word

mmMwWLliI0fiflO&1
mmMwWLliI0fiflO&1
mmMwWLliI0fiflO&1
mmMwWLliI0fiflO&1
mmMwWLliI0fiflO&1
mmMwWLliI0fiflO&1
mmMwWLliI0fiflO&1