অনেককেই দেখি কারিনার মৃত্যুতে শোকে কাতর। সুশীলরা দিচ্ছে আবেগঘন স্ট্যাটাস।
কারিনার হাদিলিংপং হওয়াতে এত আবেগের কিছুই নাই। প্রতিটা মানুষকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আবেগের পারদ ১০৩ ডিগ্রি উঠাইয়া রাখছে। তবে আবেগের মধ্যেও যুক্তি থাকলে মন্দ না। লীগের সেলিব্রেশনে প্রতি প্রতিশোধমূলক কত কথা বলা শুরু করছে।
মানুষ হিসাবে মৃত্যুকে আমরা আবেগ দিয়াই দেখি এবং গেম অফ থ্রোনের ডায়লগের মতো প্রতিদিন মৃত্যুকে বলি 'নট টুডে'। কিন্তু যখন কেউ মারা যায় তার মরণের মধ্যে নিজের ভবিষ্যৎ মৃত্যুর ছায়া দেখতে পাইলে মানুষ যেকোনো মৃত্যুরেই আবেগ হিসাবে নেয়।
লীগের লোকজনরা কারিনার হাদিলিংপং পরিণতিতে তাদের সবচেয়ে কষ্টের ক্ষত যায়গা- ৫ই আগস্টে তাদের সবচেয়ে প্রিয়জন বা দেশনেত্রী বা একজন বৃদ্ধা মহিলার ব্রা-প্যান্টি চুরি করে আনার নিরাময় হিসাবে কারিনার হাদিলিংপংকে নিয়া সেলিব্রেশন করতেছে।
ক্ষমতায় কেউ চিরকাল থাকে না। ক্ষমতার অদলবদল হবেই। শেখ হাসিনারও একদিন ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হত বা এখন শোনা যায় তিনি নিজেই ক্ষমতা ছেড়ে দিতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু, ৫ই আগস্টের মতো বেইমানী শত বছরে একবারই হয়। এই ঘটনা কোনো ক্ষমতার অদলবদল নয়।
সেই বেইমানীর গভীর কুয়ো থেকে জাতিকে উদ্ধারের জন্য কারিনার মৃত্যুকে সেলিব্রেশন করাটা এক ধরনের থেরাপি হিসেবে লীগাররা কাজে লাগাচ্ছে। এখানে ব্যাক্তি কারিনার মৃত্যু মূখ্য নয়। ৫ই আগস্টের কারিনাদের তিরস্কারের বার্তাই মূখ্য।
আর লীগাররা এখন যুদ্ধের ময়দানে কর্নার্ড পজিশনে আছে। এখানে সুশীল সমাজের কথায় কান দেয়ার তাদের সময় নাই।
1 comment
Like
Comment
View hidden comments
Comments were hidden because they may be offensive, off-topic or spam.